.“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ... তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!— সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!”~~ কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ~০~

শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১৮

দৈনিক ছড়া সংবাদ আসাম


( বাজারিছড়ায় গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার ( ব্রু রিভিউলশনারি আর্মি ইউনিয়ন)  বিআরএইউ'র কুখ্যাত জঙ্গি নেতা কিংগকংগ রিয়াং  )

 ।। এম রিয়াজুল আজহার লস্কর।।









মারের চোটে ঘায়েল হলো জঙ্গির তিনি নেতা।
হাসপাতালে কাঁদছে শুয়ে সারা শরীর ব্যথা।।
পাপটা কী তার যায়নি জানা বাদাম বড় খেলো।
সেতুর নীচে গ্রামবাসীরা দেখতে তাকে পেলো।।
আঙ্গুল একটা কাটা যে তার মাথার মধ্যে ক্ষত।
রটলে খবর দেখতে তারে মানুষ জমে শত।।
খবর পেয়ে অকুস্থলে রাইফেলস আসাম গেলো।
বিআরএইউ'র জঙ্গি বলে চিনতে তারে পেলো।।
তড়িঘড়ি রাইফেলস আসাম উদ্ধার করলো তারে !
কে ঘটালো কাণ্ডটা কেউ জানতে কি আর পারে !!
কিংগকংগ নামটি তার যে মেদলিছড়ায় বাসা।
হাসপাতালে পাচ্ছে এখন যত্ন সেবা খাসা।।
@
ছবি :- দৈনিক নববার্তা প্রসঙ্গ
( নির্ভেজাল সংবাদ পরিবেশন করে "দৈনিক ছড়া সংবাদ আসাম")
DNPP-1.31/03/18





ডঃ কাফিল

।।  সুপ্রদীপ দত্তরায় ।।
(C)Image:ছবি














ডঃ কাফিল, কেমন আছো তুমি? 
তোমার হাতের ঘা-টা শুকিয়েছে কি
ওই যে সেদিন যে আঘাতটা পেলে
খাবারের লাইনেতে
  চলতে গিয়ে 
ঠেলাঠেলি ধাক্কায়,পড়ে গিয়ে কোনাটায়
সেকি রক্তারক্তি কাণ্ডটা ঘটিয়ে দিলে
এখনো কি সেই ঘা-টা আছে ডাক্তার ?
লোকে বলে খুব নাকি লেগেছিল তোমার
 
আমি বলি ধুরছাই, এ আর কি আবার
 
যে যন্ত্রণা বুকে তোমার চেপে রেখেছো
আমি জানি কতখানি বিষ টেনে নিয়েছো
ছত্রিশটা মৃত্যুর দায়, কম কথা নয়
তুমি বলেই সম্ভব, তোমারই জয়।
ডাঃ কাফিল, তুমি শুনতে পাচ্ছো ?
সাহেনা কি আসে তোমার কাছে ?
ও কি এখানেই নাকি অন্য কোথাও গেছে?
 
কতদিন হলো সে আর আসে না ।
হয়তো গেছে বাপের বাড়ি
 
ছেলের সাথে ওর নানীর বাড়ি
 
নয়তো নিয়েছে নিরুদ্দেশের ঠিকানা।
হয়তো তুমিও
  জানো না ডাক্তার । 
কিন্তু এখানে যে সে থাকতে পারে না
 
সে আমি জানি ।
এখানে ওরা খুনির পরিবার
 
অধিকার নেই সমাজে থাকার
 
শিক্ষা নেবার, বেঁচে থাকার
 
ওর বাবা যে ছত্রিশটা শিশুর খুনি।
তাবিরকে কি খুব মনে পড়ছে তোমার ?
তোমার ছেলে, কোথায় আছে কেমন আছে
 
আজ ছমাস কোন খবর নেই তার
 
দুবেলা খাবার কি তার জোটে?
 
নাকি --- । ছিঃ বাজে কথা ভাবতে নেই বটে ।
ডাঃ কাফিল, তুমি তো জানো 
আমরাও তোমার সন্তান তুল্য ছিলাম
 
আমাদেরও ইচ্ছে ছিল বেঁচে থাকার
 
আমরাও কারো না কারো তাবির ছিলাম ।
সেদিনের সেই রাত্রে তুমি যখন ঘুরছিলে
হাসপাতালে হাসপাতালে অক্সিজেন খুঁজছিলে
 
আমরা তখন অক্সিজেনের অভাবে ধুঁকছিলাম ।
বিশ্বাস কর --- খুব, খুবই কষ্ট পাচ্ছিলাম
 
শ্বাস কষ্ট যে কি কষ্ট তুমি জানো না ডাক্তার
 
শূন্যে হাত পা ছুঁড়ে প্রতিবাদ করেছিলাম
 
যদি বাঁচার মত পরিবেশ দিতে
  না পারো
তবে জন্মের আগে মৃত্যু দিলে না কেন?
তোমাকে দোষ দিই না ডাক্তার 
তুমি অনেক করেছো
হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল খুঁজে
 
অক্সিজেন এনেছো
 
আমাদের মত শিশুদের বাঁচিয়ে রাখতে
 
তুমি অনেক করেছো ডাক্তার ।
কিন্তু দুর্ভাগ্য তোমার, তুমি পরিস্থিতির শিকার,
নৈরাজ্যের দেশে তুমি প্রশাসনের শিকার।
তুমি শিখণ্ডী আজ, তাই সবার
  নিস্তার ।
তবে ভয় পেও না ডাঃ কাফিল 
আমরা ছত্রিশটা মড়া শিশু সাক্ষী
 
আর সাক্ষী সেই রাতের সমস্ত প্রহর
তুমি যে দোষী নও আমরা জানি
 
আর জানে আপামর জনসাধারণ ।
তারা জানে এই সরকার স্বপ্ন দেখায়
 
বিনিময়ে কেড়ে নেয় বাঁচার অধিকার ।





শুক্রবার, ৩০ মার্চ, ২০১৮

দৈনিক ছড়া সংবাদ আসাম

( ভেনেজুয়েলার কারাবোবো রাজ্যের ভেলেনসিয়া শহরের
একটি জেলে দাঙ্গা ও অগ্নিকাণ্ডে হত ৬৮ )
।। এম রিয়াজুল আজহার লস্কর ।।

(C)Image: ছবি







মানুষ মরলো আটষট্টি জন দাঙ্গা জেলে বাঁধে।
অনেক মানুষ ঘায়েল আরো কান্না বসে সাধে।।

বন্দিরা সব কুখ্যাত খুব অস্ত্র রাখে সাথে।
জেলের মধ্যে আগুন ধরায় ভাগতে পারে যাতে।।

জেলের মধ্যে থাকতো সেথা অতিরিক্ত বন্দি।
কয়েদিরা অতিষ্ঠ তাই ভাগতে করে ফন্দি।।

জেলে লাশের ছড়াছড়ি রক্ত যাচ্ছে ভেসে।
জেলের মধ্যে আগুন নেভায় ফায়ার সার্ভিস এসে।।

জেলের মধ্যে গুলাগুলি বন্দি পুলিশ যুদ্ধ।
গ্যাস কাঁদানের জন্যে লোকের শ্বাসটা হলো রুদ্ধ।।

বন্দির হাতে অস্ত্রশস্ত্র !  পুলিশ খেলো গুলি।
সরকারী সব আধিকারিক ছাড়ে শোকের বুলি।।

হতাহতের আত্মীয়রা কষ্ট বড় পেলো।
তদন্ত সব হচ্ছে শুরু খবর পাওয়া গেলো।।


@
( নির্ভেজাল সংবাদ পরিবেশন করে "দৈনিক ছড়া সংবাদ আসাম")
DNPP5-30/03/18



শুধু গল্প নয় -২

।।শৈলেন দাস।।


   
(C)Image:ছবি
         
শেষ শীতের কুয়াশা ঝাঁকিয়ে নেমেছে। বড়াইল বরাকের বুকে যেন নেমে এসেছে আকাশ। ভিজিবিলিটি একদম কম। রোজকার মত মোটর সাইকেলে সেতু পার করে আপন গন্তব্যে যাচ্ছিল সতীশ। ভোরের নরম আলোয় যতটুকু দেখা যাচ্ছে তাতে সতীশের নজরে পড়ল এক বেমানান বিষয়। পাশের নির্মীয়মাণ সেতুতে কে একজন খালি গায়ে দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেতুর একদম কিনারা ঘেঁষে।
           নদীর উপর নতুন সেতু নির্মাণের কাজ চলছে। সেখানে সস্তার শ্রমিকের কাজ করে সমীর। দুদিন আগে এন আর সি অফিস থেকে নোটিশ এসেছে। ঠিকাদারের মোবাইলে ফোন করে জানিয়েছে তার স্ত্রী। আজ সমীরদের বংশবৃক্ষ মিলিয়ে দেখার দিন। অজানা আশংকা জাগছে মনে। ভেতর ভেতর দানা বাধছে ভয়। চাপা উত্তেজনা অনুভব করছে সে। এ তো রামরাজ্যে সীতার অগ্নিপরীক্ষা! ধরণী দ্বিধাবিভক্ত হওয়ার সময়।
           এক সপ্তাহ কেটে গেল কোন খোঁজ নেই। সাথের শ্রমিকরাও কেউ জানেনা কোথায় গিয়েছে সে। ঠিকাদার থানায় এফ আই আর করেছে সমীর নিখোঁজ হওয়ার। সেদিন সন্ধ্যা পাঁচটা পর্যন্ত এন আর সি অফিসে অপেক্ষা করেছে সবাই, আসেনি সমীর। আজ সতীশদের এনজিও অফিসে এসেছে খেটে খাওয়া কয়েকজন গ্রামীণ জনগণ, সাথে সমীরের স্ত্রী।
           পুরো ঘটনাটা বর্ণনা করেছে সমীরের স্ত্রী। স্থান, কাল, পাত্র মিলিয়ে একটা যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে সতীশ। নিজের মধ্যে কেমন যেন অস্থিরতা অনুভব করছে সে। এক নোটিশেই সব শেষ? ব্যাপারটা নিশ্চিত হতে ফোন ধরেছে  সতীশ।



মুখাগ্নি

।। সুপ্রদীপ দত্তরায়।।













মাকে একমুঠো আগুন দেবেন
আমি আমার মুখাগ্নি করবো।
আমার এই মুখটা 
এখন আর আমার নিয়ন্ত্রণে নেই,
আমার বুক আর মুখের মধ্যে 
বিস্তর ফারাক । অনেকটা সেই 
বাবু বাজারের বাইজীর মত,
লোকে বলে অনেক বড় শিল্পী 
আসলে -, না থাক সে প্রসঙ্গ ।
আমি যা বলি তার অনেকটাই মিথ্যে 
নিজের স্বার্থে যখন তখন যাকে তাকে 
প্রয়োজনে অপ্রয়োজনের ফাঁকে 
মিথ্যের ঢালি দিয়ে ঢাকি সত্যেরে ।
আমার কথা বলা  আমার পথ চলা
লোক দেখানো যত মায়া মমতা ভালবাসা 
আমার মুখের হাসি, চোখের জল 
আমার উত্তরণের যত কৌশল 
সবটাই একটা মিথ্যার মোড়কে ঢাকা ।
তাই যখনই কাউকে কিছু বলি
বুকটা আমার  মুহূর্তে উঠে কাঁপি
কেন জানি মনে হয়, সব জমা হয় ;
সব জমা হয়, কড়া গণ্ডায় মাপি
একে একে ভরে উঠে জীবনের ঝাঁপি 
একদিন সবকিছু  বের হবে, ধীরে ;
একদিন হবে তার চুলচেরা বিচার 
হয়তো তখন আমার বিস্ময় অপার 
পাপ ,ছলনা আর অন্যায়ের পাহাড়
মনে হবে এও কি সম্ভব আমার পক্ষে 
অনুক্ষণ এই ভাবনায় বুক শুধু কাঁপে।
শুনেছি আগুনে পুড়ে নাকি শুদ্ধ হওয়া যায়
তাই আর নয়,  আর নয় মিথ্যার আশ্রয়
আজ আমি মুখাগ্নিতে শুদ্ধ হতে চাই
আমার মুখে সাঁটা মুখোশ সহ যত কালিমা
যত গ্লানি, ছল চাতুরী আর মিথ্যে ভঙ্গিমা 
পুড়ে ছাই করে শুদ্ধ হতে চাই ।
আমার একমুঠো আগুন চাই।
কেউ কি আছেন শুদ্ধ আত্মা ?





বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ, ২০১৮

দৈনিক ছড়া সংবাদ আসাম

( চিনের টিয়ানজিন চিড়িয়াখানায় আশ্চর্য বানর ! যার মুখটা ঠিক মানুষের মুখের মত, চাঞ্চল্য )
।। এম রিয়াজুল আজহার লস্কর ।।

(C)Image:ছবি








চিনের মধ্যে আজব একটা বানর দেখা গেলো।
দেখে যে তার মুখটা লোকে বড়ই মজা পেলো।।
এই বানরটা নিয়েই লোকের মাতামাতি যত।
এই বানরের মুখটা হলো ঠিক মানুষের মত।।
এই বানরের দেহের মধ্যে লোমটা বেশি দেখি !
একলা চলে কারো সাথে মিশছে না সে এ কী !!
মিডিয়াতে হিরো ও তার টিয়ানজিনে বাসা।

' মানুষ নাকি বানর ওটা ' বলেই লোকের হাসা।।
@
( নির্ভেজাল সংবাদ পরিবেশন করে "দৈনিক ছড়া সংবাদ আসাম")
DNPP-5.29/03/18



রাজা আমার

।। সুপ্রদীপ দত্তরায়।।

(C)Image:ছবি










রো কিছুকাল থাকো বসে চুপটি করে 
                   নেতা আমার 
এন আর সি আর ডিটেনশনে রাত দুপুরে 
                  ঘুম যে কাবার ।
ঘরেতে নোটিশ আসে  ,  বাতাসে ভয় যে ভাসে 
হাজিরা দাও যে এসে রাজার বাসে রুদ্ধশ্বাসে, 
বছর বছর ব্যস্ত রেখো এমনি কাজে অনন্ত  ত্রাসে
                         রাজা আমার।
         এন, আর, সি, তো বাংলাতে নেই
               ত্রিপুরা আর পাঞ্জাবে নেই 
এই নিয়ে কি দন্দ্বটি নেই, এই কথাটি বলতে পারে
                     কোন সে গাওয়ার ।



বুধবার, ২৮ মার্চ, ২০১৮

দৈনিক ছড়া সংবাদ আসাম

( বিজেপি বিরোধী মহাজোটের পথে বিরোধীরা, ১০ অবিজেপি দলের সঙ্গে বৈঠক মমতার )

।। এম রিয়াজুল আজহার লস্কর ।।
(C)Image:ছবি








শুখাদ্য কেলেঙ্কারী ! লালু জেলে কাঁদে।
মোদি ঝড়ে দিশেহারা রাহুল পড়ে ফাঁদে।।
পূর্ণ রাজ্যের স্বপ্ন ভাংল চন্দ্রবাবুর রাগ।
সব মিলিয়ে বিরোধীরা উঠল হয়ে বাঘ।।
তৃতীয় ফ্রন্টটা তৈরি করতে মাঠে নামলো মমতা।
উনিশে চায় কেড়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা।।
এই জোটে কং চন্দ্রবাবু সবাই দিলো সায়।
এনসিপিও রয়নি বসে অংশ নিলো তায়।।
আইডিএমকে আরজেডিও অগ্নিকন্যার সাথে।
অকংগ্রেসী ফেডারেল ফ্রন্ট গঠনটা হয় যাতে।।
মায়াবতী অখিলেশও দারুন দিলো সাড়া !
উনিশ ভোটে নরেন্দ্রজী করতে হবে তাড়া !!
মহাজোটের মিটিং এখন সারা দেশে চলে।
সাম্প্রদায়িক বিজেপি দল অগ্নিকন্যায় বলে।।


@
( নির্ভেজাল সংবাদ পরিবেশন করে "দৈনিক ছড়া সংবাদ আসাম")
DSPP-1&6.28.03.18



কবিতা

।। সুপ্রদীপ দত্তরায় ।।




(C)Image:ছবি











প্রিয়তমাসু, কবিতা, 
অনাদিকাল থেকেই আমি তোমার অপেক্ষায়,
অশোকতরুর তলে, পলাশের রক্তিম বিছানায়,
কিংবা ঘন ঝাউবনের স্নিগ্ধ রৌদ্র ছায়াতে
আমি প্রতিনিয়ত তোমারই অপেক্ষাতে।
যখন শুকনো পাতা চৈত্রের দমকা হাওয়ায় 
নিরুদ্দেশের ঠিকানাটি বাতাসে খুঁজে বেড়ায় , 
আমি তার মর্মর ধ্বনিতে শুনি তোমার পদধ্বনি ;
মনে হয়, এই বুঝি তুমি এলে, এই অবেলায়।
অপেক্ষা দীর্ঘতর হয় তোমারই অপেক্ষায়।
যখন সূর্য, মেখে আবীর পশ্চিম দিগন্তে দাঁড়িয়ে 
আকাশ জুড়ে তার রক্তিম আভা সীমান্তে ছড়ায়;
রাখালের ঘর ফেরা বাঁশি ফিরে ফিরে কাঁদে,
অভিমানে, মিলনের আকুল প্রত্যাশায়।
আমি যে খুঁজি , কেবলই তোমায় খুঁজি, 
অনাবীল আনন্দের অলীক ঠিকানায়।
প্রত্যাশা ক্ষীণতর হয় তোমারই প্রতীক্ষায়।
মেঘেতে যে ছবি এঁকেছি, আষাঢ়ের আকাশে 
কিশোরী বসুধার সাজ সেথায় ষোড়শীর বাসে;
যৌবনেতে  মাতাল নদী , মন্দ মৃদু বাতাস
ফুলে ফুলে ডাকে তারে তরু লতা ঘাস,
টুপটাপ বৃষ্টিতে ময়ূরী মিথুনে ,
আমি শুধু বারবার ছেড়ে দীর্ঘশ্বাস 
মনেরে বোঝাই ডেকে কঠিন ভরসায় 
হবে দেখা, হবে আবার তোমাতে আমায়।
এক বছর, এক যুগ, একটা জীবন
আশায় আশায় জাগি আমি আমরণ
স্বপ্ন সফল হবে এই ভরসায় ।
প্রিয়তমাসু, ,অনাদিকাল থেকে 
আমি তোমারই আশায়।






মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০১৮

দৈনিক ছড়া সংবাদ আসাম


( রাশিয়ার সাইবেরিয়া প্রদেশের ' উইন্টার চেরি ' নামের এক জনপ্রিয় শপিংমলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হত ৬৪, নিখোঁজ ১০)
 ।। এম রিয়াজুল আজহার লস্কর ।।





সেথায় ছিলো সিনেমা হল মানুষ দেখতো সিনে।
সেথায় ছিলো হরেক জিনিস মানুষ নিতো কিনে।।
সেথায় ছিলো চিড়িয়াখানা পশু পাখি নানা।
সেথায় এখন উড়ছে ধোঁয়া মানুষ হচ্ছে কানা।।
হঠাৎ সেথা আগুন লাগলো চৌষট্টিজন জ্বলে।
দশ যে মানুষ নিখোঁজ আরো পুলিশ এসে বলে।।
'উইন্টার চেরি' শপিংমলে কাণ্ড ঘটে এই।
ফায়ার সার্ভিস দৌড়ে এলো খবর রটে যেই।।
উদ্ধারকার্য চলছে এখন নামে পুলিশ থানা।
কী কারণে আগুন লাগলো কিচ্ছু যায়নি জানা।।
@
ছবি :- দৈনিক নববার্তা প্রসঙ্গ
( নির্ভেজাল সংবাদ পরিবেশন করে "দৈনিক ছড়া সংবাদ আসাম")
DNPP-5.27/03/18





জাগো এবার



  ।। রফিক উদ্দিন লস্কর ।।










জেগে ওঠো, জেগে ওঠো,ওহে বীর জনতা
আর কতো দিন তোদের মাঝে রইবে অক্ষমতা। 

কান দিয়ে শোনো আর দেখো চোখ মেলে 

নীরবে থাকিলে ওরা খাবে তোকে গিলে।
শাসকের শোষণ আর সইবে কতকাল
পশ্চিমে পড়ছে রবি আকাশ করে লাল।
এক হয়ে আগে চলো করো প্রতিবাদ
মুখ বুজে কতদিন আর শুনবে অপবাদ।
শাসক শোষক যখন, এবার উঠাও হাত
দেখবে চেয়ে আধার কেটে এসেছে প্রভাত। 

ভয় পেয়ো না ভয় পেয়ো না ওহে জনতা
রয়েছে যে তোদের মাঝে আত্ম ক্ষমতা।
নতশিরে থেকো না আর প্রতিবাদী হও,
স্বভূমে কখনো তোরা দুর্বল নও।