“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০
সুমিত্রা পাল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সুমিত্রা পাল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৩ মার্চ, ২০১৮

দিনযাপন




।। সুমিত্রা পাল ।।


আন্তরিক নির্মাণশৈলীতে
            স্পষ্ট হয়ে ওঠে ঝড়ের মতিগতি
মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনিতে সুসংবদ্ধ প্রার্থনা ও আরতি
স্থির নিশানায় আজও অবিচল দৃষ্টিভঙ্গি
যেমন ভোরের আবহে ভৈরবী রাগিণী...
                        সমর্পিত তুমি আর আমি
                                    হেঁটে যাই জন্ম জন্মান্তর

                                                হৃদয়ে শাশ্বত যুগলপদাবলী।


শুক্রবার, ২৭ মে, ২০১৬

কথার ভার

কথার ভার
সুমিত্রা পাল

কিছু কথা উড়ে যায় হালকা মেঘের মত
নির্ভার, স্বচ্ছন্দ
কোন বক্তব্য রেখে যায়না।

কিছু কথা জলভরা মেঘের মত অবনত
দীর্ঘ আলাপচারিতার ক্ষণে ক্ষণে
ঝরে পড়তে চায় নিমগ্ন চৈতন্যের মাঝখানে।
দিয়ে যেতে চায় কিছু ইঙ্গিত
ফুল ফোটার,  ঋতু পরিবর্তনের
যে কথা হয়নি বলা
সেই কথা বলে ফেলার!

কিছু কথা রেখে যায় ভার
গোপন কথা গোপন রাখার।

   

শনিবার, ১ আগস্ট, ২০১৫

কথা নিষ্ফলতার


সুমিত্রা পাল

















ধূসর পাণ্ডুলিপি জুড়ে
কিছু বিমূর্ত ভাবনা
গ্রন্থিতে গ্রন্থিতে বল্মিক পাহাড় গড়ে তোলে
অথচ অবচেতন মন চারিদিকে ছত্রখান...

           মুখরিত অক্ষর বিন্যাসে
           নির্বিকার মৌনতা 

           আমার আত্মকথার নিষ্ফলতা। 


মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০১৫

ভালোবাসার আশ্রয়


সুমিত্রা পাল















অন্যমনস্ক সেই চাহনি
     যেন এক ভাঙ্গা পৃথিবী
বিপদের সাইরেন বেজে ওঠে শিরা উপশিরায়
উড়ে যায় শঙ্খচিল বৃত্ত অসম্পূর্ণ রেখে ।

ছন্দপতনের পরে আত্মমন্থন
সময় ঢেলে দেয় আরও অনেক সময় ...
হয়তো স্তরীভূত সব সময় পেরিয়ে
একসময় সেই চাহনি আঁকবে
     ভালোবাসার আশ্রয় ।
           -------------




শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০১৫

গীতার মাহাত্ম্য



।। সুমিত্রা পাল ।।


(C)Image:ছবি












সপ্তরথীর আর্য নিনাদ একা গাণ্ডিব
ঘন মায়াজালে সম্পৃক্ত সুকুমার ভাবনায়
গীতার শ্লোক ব্যাপ্ত করে
মহাবিশ্বের অবিনশ্বর রূপ

সৃষ্টি- স্থিতি- লয় এই চক্রে
পরিভ্রমিত বিশ্বব্রহ্মাণ্ড
           জাগতিক সুখ দুঃখ
           সম্পর্কসূত্রের নিবিড় গ্রন্থনা অথবা টানাপোড়েন
           স্বাচ্ছন্দ্য মানবীয় মূল্যবোধের অভিব্যক্তি
           ভেসে যায় পাঞ্চজন্যের ফুঁৎকারে
কুরুক্ষেত্র আলোকিত হয়ে ওঠে ।


           ----------------