“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০
দ্বীপতনয় ঘোষ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দ্বীপতনয় ঘোষ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৫

সাপলুডো- 'উডুমভুম'-এর প্রযোজিত একটি অনুচলচ্চিত্র



সাপলুডোএকটি অনুচলচ্চিত্র। দীপতনয় ঘোষের কবিতার উপরে ভিত্তি করে তৈরি। দেশে ফুটপাতে যারা বাস করে বাকি নাগরিকদের (ধনাঢ্য এবং মধ্যবিত্ত) থেকে বিচ্ছিন্ন , জীবনে এতো সব বাধাবিঘ্নের মুখে পড়তে হয় যে বেঁচে থাকাটাই কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা চাইছি দূষিত জল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ  এবং অন্যান্য পরিবেশিক কারণ ওদের জীবনকে কীরকম দুর্বিষহ করে তোলে সেই সম্পর্কে আমাদের দর্শকেরা সচেতন হোন।---দীপতনয় ঘোষ



কাস্ট:

ভারতের ফুটপাথ বাসিন্দারা

পরিচালনা, সম্পাদনা এবং সিনেমাটোগ্রাফি

দীপতনয় ঘোষ

কণ্ঠ এবং আবৃত্তি

শর্মিষ্ঠা দাশ

 শব্দ অলঙ্করণ,মিশ্রণ এবং সম্পাদনা

তাপস ধর

 গ্রাফিক্স এবং এনিমেশন

কৌশিক সমাজপতি

 কলা এবং প্রযোজনা অলঙ্করণ

দেবায়ন তরফদার
 বর্ণিক ধর
 সারগনীল দাম
 সুদীপ গোপ

বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৩

মাসিমা (সিরিজ ৩)

।।দ্বীপতনয় ঘোষ।। 

(c)ছবি


















মাসিমা প্লীজ ভুল বুঝবেন না
ধর্মতলার মোড়ে ওভাবে ডিম পারবেন না।

মাসিমা শুভ আর আগের মত নয়
কনভারসের ফিতে আলগা দিয়ে সিকিউলার হয় হঠাৎ
কবিতার প্রতি স্তবকে তার বন্দী হয় কিছু অনুভব
আবার কখনো প্রিয়তমাকে ভালোবেসে
ঠুনকো স্যানিটারি গিফটে হলুদ নিওস্প্রিণ্ট লাগায় লজ্জায়।

মাসিমা ভুল বুঝলেন?
শুভর প্রতিটা দিন কাটে ভালোবেসে
ঝুলে থাকা কালপুরুষের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে
অন্ধ অক্ষম চোখের কালো চশমায় গ্রাস করে নিজের পৃথিবী
শুভর মাথায় ঘোরে কিছু অবান্তর বাস্তব
E= MC²  বা অংকের ইন্টিগ্রেশন ডেরিভেটিভ গুলো মাথায় না ঢুকলেও
শুভ কিন্তু ভালো কবিতা লেখে।   

মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৩

সাপ লুডো

          ।। দ্বীপতনয় ঘোষ ।।
 
(c) Picture:ছবি
















রা পথের ধারে গড়াগড়ি করে
ধুলো বালি মেখে
কানা চাল আর মোটা ভাতে
দিন কাটায় সুখে
ছেঁড়াখোঁড়া জামা পড়ে
হাত বাড়িয়ে দাঁড়ায়
ভাঙ্গা খেলনায় আনন্দ পায়
নালার জলে ঝাঁপায়।
ফুটপাথে হাত মেলে দেয়,
আধুলি পয়সা ফুটো
সবুজবাতির রং রুটে
খেলুক সাপ লুডো।
দেখে ভাবি এসব নিয়েই
আছে ওরা বেশ
মই দিয়ে ওপরে ওঠে
সাপের মুখে শেষ।

শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৩

এলোমেলো



।। দ্বীপতনয় ঘোষ ।।

 












দী বলেছে বদলাবে পথ
বাঁকের শেষে একলা পাড়ে

বসে আছে সে মেঘলা মনে
হারিয়ে গেছে মেঘেরই দেশে

মেঘ কেটেছে রোদ উঠবে বলে
ঝড় থামবে নতুন শুরু হবে বলে

কিছু আদর জলে ধুয়ে যাবে
বাকি সব স্মৃতি হয়ে মনে ‍রয়ে যাবে।

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০১৩

একটু অন্যরকম

।।দ্বীপতনয় ঘোষ ।।






















ন্যরকম গল্পগুলোর অন্যরকম মানে 
অন্য মানে অন্য কেন অন্য লোকে জানে
অন্য কোথাও অন্য ছলে অন্য আকাশ দেখে 

অন্য রকম মেঘের বুকে অন্য বৃষ্টির চোখে
অন্য তুমি অন্য মনন অন্য রকম ছোঁয়া 

অন্য রকম ভাবনা ভেবেও অন্য স্মৃতির হাওয়া। 

অন্যরকম দশার খোঁজে অন্য রকম মন
অন্যরকম তোর ছায়াতে অন্য মন কেমন
অন্যরকম কারণ অকারণে অন্য চাওয়া পাওয়া 

অন্যভাবে ন্য হয়ে ভালবাসতে চাওয়া 

অন্যরকম যদি হত অন্য রাজার কন্যে 

অন্য দেশে দিশাহারা রাজপুত্তের জন্যে 

যখন অন্যভাবে অন্য বেশে পক্ষীরাজে ভেসে 

জিয়নকাঠি ছুঁয়ে যাবে রাজকন্যার কেশে 

অন্যরকম ভাবনা গুলোর অন্যরকম ভাষা 

অন্য না হয় নাই বললাম এসব অন্য আশা। 

রবিবার, ৩ মার্চ, ২০১৩

স্বেচ্ছাচারী

                   ।।দ্বীপতনয় ঘোষ।।
না আমি ভালো ছেলে নই
অজান্তে অশালীন হই,
না আমি কিছুই বুঝিনা,
বার বার হেরে গিয়ে শান্তি খুঁজিনা।
আমার অকুলীন ক্ষোভে,
এ শহর পাশ ফিরে শোবে
আন্দোলনের রাতে আমিও সাজাবো
শহর পরেই তার বেহালা বাজাবো।


শঙ্কিত আলোকেরা আমাকে না পেলে
দেখবো কেমন করে ডানাগুলো মেলে
উড়ে যায় দূরে যায় খুঁড়ে খায় জানি
আমি আজকাল শুধু আমাকেই মানি,
গৃহহীন আলোহীন একা ফুটপাথে
মন টন খারাপেরা দল বেঁধে হাঁটে
ট্যাক্সি ট্রাম চাপা পড়ে গিয়ে কাঁদে
আমার বিরুদ্ধে সব জোট টোট বাঁধে।


নই আমি কমদামী নই আমি সোজা
অত কাঁচা নই আমি, নই আমি বোঝা
আলস্যে অকারণ ফেলোনা আমাকে
আমি জানি আজও খুশী আমাকেই ডাকে।।

(c) Picture: ছবি

খামখেয়ালীপনা

                                        
                                       ।।দ্বীপতনয় ঘোষ।।





















পোষহীন কোনও নীল রঙের আভায়
বিবর্ণ তোমার নারী মন। 
তোমার শূন্যতার গভীরে প্রতীক্ষায় আমি 
হচ্ছি কোনও স্বীকারোক্তির বিচারে দহন।

পুরনো খাতার আনাচে কানাচে লুকিয়ে থাকা 
তোমার নাম প্রকাশ পায় 
কোনও মেইল আই ডির পাসওয়ার্ডে। 
ধুয়ে মুছে ফেলে দেওয়া অভিমান 
স্পষ্ট ফুটে ওঠে সামনে খোলা বইয়ের পাতায়।

রঙ্গীন জল আর সাদা ধোঁয়ার দুঃখ বিলাসিতা 
অবকাশ পেলেই ঠিকরে বেরায় জমা অভিমানের তেষ্টা। 
জন্ম নেয় আর একটা আনকোরা হাতের লেখায় 
একটুকরো খামখেয়ালীপনা।

(c) Picture:ছবি

ছন্নছাড়া

                                                      ।।দ্বীপতনয় ঘোষ।।




















লেজ থেকে ইউনিভারসিটি
প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দৌড়ে
বন্দী এক নতুন ইমারতে 
বদলাল পরিস্থিতি বদলাল শহর। 
বদলাল না কিছু স্বভাববদলাল না কিছু জবাব।

আচ্ছন্ন হতে চাইছে মন
আঁকড়ে ধরতে চাইছে
কিছু ভুলে যাওয়া স্মৃতিকে। 
শুনতে চাইছে কিছু না বলা কথা। 
খুঁজছে কিছু হারিয়ে যাওয়া প্রতিচ্ছবি।

আশেপাশের মানুষগুলো 
যখন ব্যস্ত নিজেদের 
আঁখের গোছাতে
আমি তখন কবর থেকে 
অস্তিত্ব খোঁজার পথে।

বন্ধুদের ভিড় থেকে অনেক দূরে
মিথ্যে কথার জঞ্জাল সরিয়ে
দৈহিক সম্পর্কের জটিলতা এড়িয়ে,
মন চাইছে আজ একটু একা হতে।

ছন্নছাড়া ভাবনা আমার 
মেলছে মনে ডানা
তাই আবোল তাবোল শব্দ জুড়ে 
নষ্ট করছি সময়খানা।

(c) Picture: ছবি