“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০
ভিডিও লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভিডিও লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বাংলা বানান ৷৷ পাঁচ পর্বে ৷৷ উত্তরসূরি গ্রুপ।।


 ফেসবুকের উত্তর সূরি গোষ্ঠী সম্প্রতি বাংলা বানান নিয়ে পাঁচ পর্বে পাঁচটি বক্তৃতা আয়োজন করেন। দুই পর্বে কথা বলেন বিশ্বজিৎ চৌধুরীর বক্তব্যে। আরো তিন পর্বে কথা বলেন অধ্যাপক পবিত্র সরকার, অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য ও সুকুমার বাগচি। গুরুত্ব বিবেচনাতে আমরা এই চারটি বক্তৃতাই এখানে নিয়ে এলাম এক সঙ্গে। ফেসবুকের ভিডিও ফেসবুক হোয়াটস এপ, টুইটারে শেয়ার করলে যদি আপত্তির কিছু নেই, ব্লগেও করলেও আপত্তির কিছু থাকতে পারে না। এবং উত্তরসুরি গোষ্ঠীর অনুমোদন নিয়েই সেগুলো এখানে নিয়ে আসা হলো।
 
 

 

 

 

 

এখানেই ভিডিওগুলোতে ক্লিক করে ক্রামানুসারে শুনতে পারবেন। অনেকগুলো ভিডিও একত্রে থাকার জন্যে লোড নিয়ে সমস্যা হতে পারে। মাঝে মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে। সেই ক্ষেত্রে ভিডিও ফুলস্ক্রিণ করে নিন। শুনা যাবে পুরোটাই। যদি মোবাইলে দেখছেন, দুই বার ক্লিক করুন। আপনার মোবাইলের পুরো পর্দাতে ভিডিও দেখা যাবে। ডেক্সটপে যদি দেখছেন, ভিডিওর উপরে মাউস নিলে ফুলস্ক্রিণ বিকল্প পাবেন। 

 

 

 

 


 

 

 


 

 

 

 


 

 

 

 


 

শুক্রবার, ১০ মার্চ, ২০১৭

আমি তোমারই নাম গাই


  বাংলাদেশের  ফাখরুল আরেফিন খান  পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'ভূবন মাঝি' ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ভারতের পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও বাংলাদেশের অর্পণা ঘোষ। ১৯৭০ সাল থেকে ২০১৩ সালের কিছু সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে ছবির গল্প সাজানো হয়েছে । ২০১৭ সালের ১ মার্চ ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে চলচ্চিত্রটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয় এবং ৩ মার্চ সারা বাংলাদেশে ১৫টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। ছবিতে চারটি গান রয়েছে। তার একটি এই--লিখেছেন কালিকা প্রসাদ। গেয়েছেন সপ্তর্ষি। কিন্তু দোহারের শিল্পীদের গাওয়া একটি সংস্করণও রয়েছে। আমরা  সেটির কথা সহ গানটি এখানে তুলে রাখলাম। ---সুশান্ত কর



মি তোমারই নাম গাই
আমার নাম গাও তুমি

আমি আকাশে রোদের দেশে
ভেসে ভেসে বেড়াই
মেঘের পাহাড়ে চড়ো তুমি।
আমি তোমারই নাম গাই
আমার নাম গাও তুমি

ভালবাসা করে আশা
তোমার অতল জল
শীতল করবে মরুভূমি
জলে কেন ডাঙায় আমি
ডুবতেও রাজি  আছি
যদি ভাসিয়ে তোল তুমি
আমি তোমারই নাম গাই
আমার নাম গাও তুমি

তুমি এস ফসলের ডাকে
বটের ঝুরির ফাঁকে
আর এস স্বপ্নভূমি
এই স্বপ্ন দুচোখ তুলে
জেগে দেখা যায় যদি
নয়ন তারায় বসো তুমি
আমি তোমারই নাম গাই
আমার নাম গাও তুমি

কবিতা গেল মিছিলে
মিছিল নিয়েছে চিলে
অসহায় জন্মভূমি
আজ একতারার ছিলা
তোমার স্পর্শ চায়
যদি টঙ্কার দাও তুমি
আমি তোমারই নাম গাই
আমার নাম গাও তুমি


বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

‘উজান সাহিত্য গোষ্ঠী’র উদ্যোগে পালিত হল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২০১৭




তিনসুকিয়ার  ‘উজান সাহিত্য গোষ্ঠী’ জন্মলগ্ন থেকেই ২১শে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিনটি বহুভাষিক কবিতায়, কথায় এবং  গানে দিনটি যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালন করে আসছে। এবারেও করেছে ‘দুর্গাবাড়ি’ প্রাঙ্গণে খোলা মঞ্চে । বিগত কয়েক  বছর ধরে  তাঁর সঙ্গে বিশেষ বিষয়-নির্ভর বক্তৃতানুষ্ঠানেরও আয়োজন করে আসছে এবারেও  তিন শিক্ষাবিদ আমন্ত্রিত হয়েছিলেন এই বক্তৃতা করতে। তার মধ্যে দুজনই কবি -- নিশা গুপ্তা এবং নীলদীপ চক্রবর্তী। নিশা হিন্দিতে কবিতা লেখেন, নীলদীপ লেখেন বাংলাতে।  দু’জনেই তিনসুকিয়ার বিবেকানন্দ কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তৃতীয় আমন্ত্রিত বক্তা ছিলেন বিপিন বরা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং এখন অবসর প্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল রৌফ। তিনি রাজ্য সরকারের ‘শিক্ষারত্ন’ পুরষ্কারেও সম্মানিত হয়েছিলেন। ছিলেন অসম সাহিত্য সভার তিনসুকিয়া জেলা শাখার সভাপতিও। 

(দৈনিক যুগশঙ্খে ২৩শে প্রকাশিত সংবাদ)
নিশা গুপ্তা
শুরু যদিও হবার কথা ছিল বিকেল আড়াইটায় প্রচণ্ড প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্যে লোকজন আসতে সামান্য দেরি হয়, ফলে অনুষ্ঠান শুরু করতেও হয় সামান্য বিলম্ব। কিন্তু শেষমেশ দর্শকাসন একটিও খালি পড়ে থাকে নি। শুরুতেই প্রদীপ প্রজ্বলন করে  এবং শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন ‘উজান সাহিত্য গোষ্ঠী’র সহ-সভাপতি প্রশান্ত ভট্টাচার্য।  তাঁর সঙ্গে যোগ দেন  অতিথি-ত্রয় সহ উপস্থিত সবাই। পাশাপাশি তখন চলতে থাকে  উদ্বোধনী সঙ্গীত ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি’ পরে পরেই বিরতি না দিয়ে চলতে থাকে ‘চিরচেনেহী মোর ভাষা জননী’ পরিবেশন করেন উজান সাহিত্য গোষ্ঠী এবং গীতিমঞ্জরীর  শিল্পীরা যৌথভাবে শিল্পীরা ছিলেন জীবন কৃষ্ণ সরকার, শীলা দে সরকার, বর্ণালি সেনগুপ্ত, শিল্পী চক্রবর্তী, প্রিয়া পাল, অস্মিতা মজুমদার, মিঠু মজুমদার , পাপিয়া বল, মঞ্জুরি ফুকন, নবনীতা দত্ত নেওগ, হীরামনি বরুয়া, জ্যোতি গোঁহাই এবং অন্যান্যরা। তবলাতে সঙ্গত করেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী।
আব্দুল রৌফ
এর পরে অতিথিত্রয় নিশা গুপ্তা, আব্দুল রৌফ এবং নীলদীপ চক্রবর্তীকে ফুলাম গামোছা পরিয়ে সংবর্ধনা জানান উজান পত্রিকার মুখ্য সম্পাদিকা সবিতা দেবনাথ। উপসভাপতি প্রশান্ত ভট্টাচার্যের স্বাগত ভাষণের পরে উজানের শিল্পীরা পরিবেশন করেন আরেকটি সমবেত সঙ্গীত “শুভকর্মপথে...” এর পরে বিভিন্ন ক্রমে ভোজপুরি কবিতা পাঠ করেন কৃষ্ণা উপাধ্যায়, অসমিয়া কবিতা পাঠ করেন হীরামনি বরুয়া,  ভাস্কর জ্যোতি চুতিয়া, রুনমী শর্মা, নবনীতা দত্ত নেওগ, বাংলা কবিতা পড়ে শোনান পার্বতী দেব, নিহারিকা দেবী, ভানু ভূষণ দাস, সবিতা দেব নাথ প্রমুখ। একটি অসমিয়া আধুনিক গান পরিবেশন করেন শীলা দে সরকার, বাংলা গান পরিবেশন করে কিশোরী শিল্পী পৌষালি কর এবং দুটি লোকগান পরিবেশন করেন বাবুল বিশ্বাস। 
নীলদীপ চক্রবর্তী

             নিশা গুপ্তার বলবার বিষয় ছিল ‘ভারতীয় ভাষাও পর গহরাতা সংকট’তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ভাষাগুলো বিপন্ন হলে শুধু সাহিত্যই বিপন্ন হয় না। সঙ্গীত নৃত্যাদি নিয়ে আমাদের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক অস্তিত্ব বিপন্ন হয়। তাই ইংরেজিভাষা আগ্রাসন নিয়ে আমাদের সচেতনভাবেই ভাবতে হবে। আব্দুল রৌফ বলেন ‘ বিভিন্ন ভাষা গোষ্ঠীর সংঘাত এবং সমন্বয়’ বিষয় নিয়ে বলেন। তিনি বলেন, আমরা নিজের ভাষাকে সবাই সম্মান করি, কিন্তু প্রতিবেশী ভাষা গোষ্ঠী তথা তাদের সাহিত্য সংস্কৃতিকে অবজ্ঞা-উপেক্ষা করবার বুদ্ধিতে যেন না পেয়ে বসে। নীলদীপ চক্রবর্তীর বলবার বিষয় ছিল ‘ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাংলা কবিতা’তিনি অমলেন্দু গুহ, সঞ্জয় চক্রবর্তী, দেবলীনা সেনগুপ্ত, কমলিকা মজুমদারের বাছাই করা কবিতার নজির টেনে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার কবি এবং কবিতা ভাবনার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এখানকার  কবিতা কেমন হচ্ছে আর কেমন হবে তার মূল সুরটি তুলে ধরেন। অতিথি তিনজনকে স্রোতা দর্শকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন সুশান্ত কর।
       
বই বিক্রিতে দুই সম্পাদক

অনুষ্ঠানের গুটি কয় গান
    মাঝে উজানের সদস্যা পার্বতী দেবের একটি কবিতার বই ‘হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো’ এবং নীহারিকা দেবীর প্রবন্ধ বই ‘হে শহীদ লহ প্রণাম’ উন্মোচন করেন যথাক্রমে আব্দুল রৌফ এবং নিশা গুপ্তা। অনুষ্ঠানে উজান পত্রিকা ছাড়াও পূর্বত্তরের বিভিন্ন প্রকাশনীর বেশ কিছু বই বিক্রির ব্যবস্থাও করেছিলেন উজান পত্রিকা সম্পাদিকা সবিতা দেবনাথ , এবং গোষ্ঠী সম্পাদক ভানু ভূষণ দাস।
           পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ‘উজানে’র সদস্য ত্রিদিব দত্ত।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৫

সাপলুডো- 'উডুমভুম'-এর প্রযোজিত একটি অনুচলচ্চিত্র



সাপলুডোএকটি অনুচলচ্চিত্র। দীপতনয় ঘোষের কবিতার উপরে ভিত্তি করে তৈরি। দেশে ফুটপাতে যারা বাস করে বাকি নাগরিকদের (ধনাঢ্য এবং মধ্যবিত্ত) থেকে বিচ্ছিন্ন , জীবনে এতো সব বাধাবিঘ্নের মুখে পড়তে হয় যে বেঁচে থাকাটাই কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা চাইছি দূষিত জল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ  এবং অন্যান্য পরিবেশিক কারণ ওদের জীবনকে কীরকম দুর্বিষহ করে তোলে সেই সম্পর্কে আমাদের দর্শকেরা সচেতন হোন।---দীপতনয় ঘোষ



কাস্ট:

ভারতের ফুটপাথ বাসিন্দারা

পরিচালনা, সম্পাদনা এবং সিনেমাটোগ্রাফি

দীপতনয় ঘোষ

কণ্ঠ এবং আবৃত্তি

শর্মিষ্ঠা দাশ

 শব্দ অলঙ্করণ,মিশ্রণ এবং সম্পাদনা

তাপস ধর

 গ্রাফিক্স এবং এনিমেশন

কৌশিক সমাজপতি

 কলা এবং প্রযোজনা অলঙ্করণ

দেবায়ন তরফদার
 বর্ণিক ধর
 সারগনীল দাম
 সুদীপ গোপ

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৫

অনুছবি: তুমি আমি

মাদের বানানো একটি অনুছবি "তুমি আমি"।

কাহিনী,চিত্রনাট্য ও পরিচালনা - দেবায়ন তরফদার
আবহ- তাপস ধর
চিত্রায়ন- বার্নিক ধর
গান "প্রেম গেল না ছারি" লেখা, সুর ও সংগীত -দেবায়ন তরফদার

অভিনয়ে-
দীপশিখা ভট্টাচার্য
পুস্পিতা ঘোষ
দেবায়ন তরফদার
বার্নিক ধর
সুপ্রভা ঘোষ
সাগরনীল দাম
রাতুল মিশ্র

প্রযোজনায় - ইউ ডি বি এম ফিল্মস অ্যান্ড মিডিয়া আরটস।

ভালো মন্দ এখানেই এক ব্লগে দুই কথা লিখে জানালে, আমাদের ভাবনাকে সমৃদ্ধ করে...

উড়ুম্ভুমের গান: ভিড়ে

মরা ত্রিপুরার একটি বাংলা ব্যান্ড উডুম্ভুম।আমাদের বানানো একটি নতুন গান "ভীড়ে"।
গেয়েছে সাগরনীল,দেবায়ন আর তাপস। দেখবেন। আর কেমন লাগলো, ভালো মন্দ লিখে এই ব্লগেই জানাবেন। 


সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

দোহারের গান

তিনসুকিয়ার কাছে, মাকুমের মাকুম রেল স্কুলের সোনালি জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে গান গাইতে এসেছিল 'দোহার' গেল ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫। রাত ১১টার থেকে ১২টা ৩০ অব্দি... এই অনুষ্ঠানের কিছু টুকরো আমার ক্যামেরাতে...ন'টি গান দোহারের। একটি আমাদের বাড়িতে কালিকাপ্রসাদ আর রাজীবকে গান শোনাচ্ছে, আমার মেয়ে পৌষালি এবং ওর বান্ধবী তনুশ্রী...

শনিবার, ২০ জুন, ২০১৫

সন্ধ্যার সে শান্ত উপহার - অনুষ্ঠানের টুকরো টুকরো সম্মিলিত অংশ

          ত্রিপুরায় কবিতা চর্চার ইতিহাস প্রায় ৬০০ বছরের । তবুও কোথাও যেন অনালোচিতই থেকে গেল এত সৃষ্টিমুখর কবি কৃতি । বাংলা কবিতা ও কাগজের নৌকা নামের দুটি কাগজ "সন্ধ্যার সে শান্ত উপহার " নামে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সকল কবিকৃতির পর্যায়ক্রমিক আলোচনা ও অধ্যয়নের প্রয়াস নিয়েছে । এখানে রইল , তাদের প্রথম প্রয়াসের সামান্য আভাস । এ পর্যায়ের কবি ছিলেন শঙ্খ পল্লব আদিত্য ও কল্যাণব্রত চক্রবর্তী । আলোচক ছিলেন অশেষ গুপ্ত ও মিলন কান্তি দত্ত । দেখা যাক , সন্ধ্যার সে শান্ত উপহারের আভাস ---শুভদীপ দেব।