.“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ... তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!— সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!”~~ কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ~০~

বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮

অবস্থান


         













  ।। সিক্তা বিশ্বাস।।
   
মি নারী বলছি ,
পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষই যে বিচারপতি
  ,
ন্যায়-অন্যায় কে শুধোয়
  , 
কুবিচারেই বা কা'
  কি আসে যায় !
ভুলচুক
  মানুষ মাত্রেই , 
মনে রাখতে হয় পুরুষের ক্ষেত্রে ,
 
নারী সে যে বিচারাধীন ,
 
'তে
  পারেনা  কভুও  স্বাধীন !!!
আমি নারী ,স্ত্রী ,ভগিনী ,কন্যা ,মাতা ----
তাই কি বাধ্যতা সর্ব্বংসহা !! দোহাই কেবলই মমতা !!!!
প্রাণ পাওয়া এক নারীর দান ,
প্রতিষ্ঠিত হওয়া ইস্তক শীর্ষ'পরে মাতৃস্থান
  ,
স্বার্থের ডাক এলে পরে ,
সম্পর্ক হয় ম্রিয়মাণ !! ছিন্ন হয় নাড়ীর টান !!
' জননী
  জন্মদাত্রী স্বর্গাদপী গরিয়সী ' পান বৃদ্ধাশ্রমে  স্থান !!!!
প্রশ্ন উঠলে  সংসার-ধর্মের ,
স্ত্রী-পুরুষ অভিন্ন সংসারে ----
কি করে পুরুষ পায় শীর্ষ স্থান !?
সংসারধৰ্ম
  এক বিরাট কাণ্ডকর্ম , 
জ্ঞাত , হয়না সফল ! করে অধর্ম !!
এ প্রশ্ন কে শুধোয় কা'রে !!!?
জবাবদিহি
  যে কেবল নারী ,এ সংসারে !!!!
স্বেচ্ছাচারিতা কেবল পুরুষের খাটে ,
নারীর প্রশ্ন এলে পরে সংসার যে ওঠে লাটে !
সামাজিক চক্র
  যে বিশাল বক্র !  
তাইতো আজও নারী রয়েছে চক্রব্যূহ জটে !
আবাল বৃদ্ধা নির্বিশেষে--- নারী কেবল সম্ভোগের
  পাত্র !
প্রমাণিত ,উল্লাস-জীবনের
  প্রতিটি  ক্ষেত্র !
পুরুষই যে কেবল সর্বাধিকার প্রাপ্ত ,
 
ন্যায় করেছে তথাকথিত
  ন্যায়শাস্ত্র !
শাস্ত্রের
  দোহাই আজও চলে , 
রয়েছে যে নারী পরাধীনতার
  কবলে ,
নারীর সংখ্যা যদি দাঁড়ায় শূন্যে ,
 
তবুও কন্যা-ভ্রূণ
  হত্যা  থাকবে সামাজিক পুণ্যে  !
নারী সে যে  পরগাছা-জীব !  কল্পলোকেই  কেবল সজীব !
একমাত্র
  আশ করুণাজড়িত স্বপ্নিল সহবাস ! 
এইতো নারীজীবনের মূল নির্যাস
  !
অহল্যা তাই আজও পাষাণ !
  
সীতা
  , সাবিত্রী  , দময়ন্তী  চির ম্রিয়মাণ !
ভারতের নারী আজও কাঁদে
  ,
পড়ে সমাজ-সংসার ধর্মের ফাঁদে !




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন