“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০

বুধবার, ২১ জুন, ২০১৭

কবিতা


।। কপোতাক্ষী ব্রহ্মচারী চক্রবর্তী।।

(C)Image:ছবি
 














ত পাপ করেছি জীবনে?
পুণ্যের সীমা নেই জেনে-
পাপের পুঁটুলিখানি খুলি মনে মনে।
লঘু পাপ, গুরু পাপ, ছেঁড়াখোঁড়া পাপ...
যত ভাবি, বাড়ে শুধু হৃদয়ের চাপ-
থাক, ভেবে কাজ নেই, পুঁটুলিটা যত হোক ভারী,
নরকে যাবো না আমি, স্বর্গে ? গেলেও যেতে পারি।
আচ্ছা, তোমরা কেউ স্বর্গ কি দেখেছো কখনো?
কল্পনায়- কিম্বা কোনো,
অলৌকিক রাস্তা ধরে, সেই পথে দিয়েছ কি পাড়ি?
দেখেছো কি দেবদেবী কিভাবে কালাতিপাত করে?
ওদের মুহূর্তকাল আমাদের কত যুগ ধরে?
কী হবে এসব ভেবে? স্বর্গেই সুখ-
হক কথা- না বুঝেই বাড়ে শুধু জাতীয় অসুখ,
পাপে-পুণ্যে বোঝা হল ভারী,
এবার কি যেতে হবে? দুয়ারে কি প্রস্তুত গাড়ি?
নরক-রাজত্ব থেকে স্বর্গের দাসত্ব-ও ভালো-
ক্ষমা করো মিলটন(Milton),-
আমার এখন শুধু, আলো চাই, আলো.....
যাবো আমি, স্বর্গেই যাবো-
এসো হে পয়গম্বর, তুমি এলে হাতটি বাড়াবো।

কোন মন্তব্য নেই: