“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০

সোমবার, ৭ মে, ২০১৮

অববাহিকা


।। অভীক কুমার দে ।।

(C)Image:ছবি











মুহূর্ত ছেড়ে ঝেড়েও 'আমি' এক, একা
নদীর জন্য ব্যবহৃত বিনশ্বর।
যেখানে অববোধের ব্যবধান এবং
আরেকটি মুহূর্ত
বয়ে বয়ে শরীর
হাসিমুখে নিজের লাশ বহন করি।
যেদিকে নিয়ে যায় নদী
আমার আমিকে ভাসাই, পুনরায় ভাসি।
একটি মুহূর্ত
আরও আরও মুহূর্ত সাজায়
পরপর নতুন শিশুর মতোই,
আত্মগর্ভে কাঁচা শরীর
আবার বড় হয়,
বারবার বড় হয় মুহূর্ত ছেড়ে ঝেড়ে।
কোনো এক মুহূর্তে
মুহূর্ত শেষ হয়,
তখনও 'আমি' এক, একা
পেছনে আমিগুলোর সিঁড়িপথ
বিপন্নতার সীমা ছাড়িয়ে...


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন