.“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ... তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!— সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!”~~ কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ~০~

শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

রঞ্জনা ও চারদিনের ঘটনা

(C)Image:ছবি

 















।।শৈলেন দাস।।
১.
রঞ্জনা সেদিন দিদির সনে
দাঁড়িয়ে ছিল বাস ষ্টেশনে
উল্টোদিকের পান দোকানে
সিগারেট টেনে টেন
দেখতে পেলাম আমি যখনে
হাসছিল সে আপন মনে
লজ্জা পেয়ে মনে মনে
লুকিয়ে নিলাম হাত পিছনে
জানতে সাহস হয়নি মনে
যাচ্ছে নাকি কোনখানে।
২.
রঞ্জনা সেদিন বিকেল বেলায়
এসেছিল বই মেলায়
ফিরতে পথে শিমূলতলায়
বলল ডেকে চাপা গলায়-
"বাঁধা কিসের সাথে চলায়?"
মেতে উঠলাম প্রেমের খেলায়
সকাল সন্ধ্যে দুবেলায়
ভাবলাম বুঝি উপরওয়ালায়
বেছে বেছেই জোড়া মিলায়।
৩.
রঞ্জনা সেদিন সাতসকালে
এসেছিল হাসপাতালে
বুক ভাসিয়ে চোখের জলে
বলল- "যেতে হবেই চলে
জ্ঞাতি-গোষ্ঠী সবাই মিলে
বিয়ে দিতে রাজি হলে
বাঁধা দেব কি বলে?
বলব, গাড়ির চাকার তলে
স্বপ্নগুলো গেছে চলে
গড়ব আবার দুজন মিলে?
৪.
রঞ্জনা সেদিন বিয়ের আসনে
দাঁড়িয়েছিল বর সামনে
জল ভরা দুনয়নে
তাকিয়ে ছিল আমা"পানে
প্রত্যয় তার ছিল মনে
চলে আসবে আমার সনে
শেষে রটে জনে জনে
চলে এলাম আমি পিছনে
বলতে সাহস হয়নি মনে
যাবেনা তুমি কোনখানে
যাবেনা তুমি কোনখানে।




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন