.“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ... তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!— সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!”~~ কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ~০~

মঙ্গলবার, ৫ জুন, ২০১৮

কলঙ্কিনী

ব্যালকনিতে যে ফুল ফুটেছে

সেটাই নাকি হাসনাহানা 

কাল রাতে মাখা সুগন্ধিটা 

তার গন্ধ আমার  জানা ।

তোমার ঘরের কোণা কোণায়

এখন প্রচুর ব্লীডিং হার্ট 

এই চলা পথের প্রতিটি বাঁক 

আমার তুলির সূক্ষ্ম  আর্ট ।

লোকে আমায় কলঙ্কিনী বলে 

আমার তাতে কি যায় আসে, 

স্পর্শে যার  আমার কলঙ্ক দাগ

তার আসন দিগন্ত আকাশে ।

কলঙ্কে আমি ভয় পাইনেকো 

চাঁদেরও তো কলঙ্ক আছে 

ভয় শুধু যে  আহা অহর্নিশি 

ওহে, হারাই যদি তোমায় পাছে ।

 




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন