“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০

রবিবার, ১০ জুন, ২০১৮

ঘুমনগরী

।। অভীক কুমার দে ।।

(C)Image:ছবি








তারযন্ত্রের তরঙ্গে তার যে সুর 
তার ভেতর অসংখ্য জন্ম মৃত্যু
একেকটি সুর মৃত্যুর পরিষদ, জাল ছোঁড়ে,
ছন্দের যাদুমণি জ্বেলে ছায়াছবি দেখে দলবাজ,
অবাক নাগরিক !
চোখের বারান্দায় সংগ্রামী লয়, কঠিন পথ
বিভ্রান্ত তার মেলে ধরে এলোমেলো ছবি
কোন সংগ্রাম আবার তারে,
বিস্তারে সুরের অনাদর যত
চোখ বুজে আঙুল চালায় অপরিচিত নির্ভীক
সুর ওঠে, নতুন সুর
বুকের রাস্তা ধরে হেঁটে যায় ময়দানে
দফায় দফায় বহু দফা দাবি
দাবির ভেতর অসংখ্য কঙ্কাল
জন্মমৃত্যু গুনে আগুন জ্বালায় বুক এবং
বোতাম টিপে টিপে অসার আকরিক।
এই অসুখের সা থেকে সাতচল্লিশ দেখি
সেখানে এক ঘুমনগরী, রাতের গল্প--
সুরেলা তারে সদ্য মৃত মায়ের লাশ,
উষ্ণ স্তন থেকে দুধের নদী আজও স্বাধীনতার সা খোঁজে সন্তানের চোখে;
যুক্তি সংযুক্তির হাবাগোবা ব
কতকাল দড়ি হবি ! ধিক্...


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন