Sponsor

.“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ... তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!— সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!”~~ কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ~০~

Tuesday, February 21, 2017

বর্ণমালার জোছনা

।। অশোকানন্দ রায়বর্ধন।।
(C)Image:ছবি








মাঝরাতে গাঁয়ের গভীরে কীর্তনের আওয়াজ ভেসে উঠলে শিথিল শরীরে শিহরণ ওঠে । সমস্ত লৌকিক যন্ত্র জড়ো হয় এক  উঠোনে । তাদের শরীর কথা কয় সুরেলা ভাষায় । সেখানেও তোমার মকরন্দ ঘ্রাণ । এক একটা ধ্বনি এক একটা ভাষার নিক্বণ । সে ভাষা ক্লান্ত গ্রামরমণীর । ও বর্ণমালা ! সে ভাষা পরিশ্রমী প্লাবনকথা । তোমার নিত্যদিনের দারিদ্র্যপাঁচালি । সৃজনরক্তের আদ্যঘ্রাণ সে ভাষায় বেঁচে ওঠে । বৃষ্টিমাখা হলুদ নদী যুবতী হয় । তার উথলানো ভাষায় বেঁচে ওঠে নারী ও নৌকো । জোছনার ডিঙায় শরীর বিছিয়ে দিয়ে নদীও মানুষী । তার তরল শরীরের নগ্নতায় চলমান জীবনের ফর্দ খুলে যায় । অন্তরের সঞ্চয়মধু কলরব করে ওঠে । আহা ! এক একটা বর্ণ । রৌদ্রের লালনগন্ধে বাতাসের গহনা তার গায় । ওরা মেতে ওঠে হজাগিরি দোদুলে । লোকায়ত নাচের মুদ্রায় চন্দ্রকোটর থেকে দৈব উঁকি দেয় কবিতাকরোটি । চলমান পানশালা মুখর ও মুখরা
Post a Comment

আরো পড়তে পারেন

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...