.“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ... তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!— সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!”~~ কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ~০~

শুক্রবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৬

চলমান গল্প; কবি ২.


কবিকে যারা সামাজিক ভাবনায় মঝে যেতে প্ররোচিত করেছিল তারা ছিল ডবল ষ্ট্যাণ্ডার্ডের। 'আমরা নিপীড়িত', 'আমরা অবহেলিত', 'আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে' ইত্যাদি ইত্যাদি  প্রবচন আওড়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মগজ ধোলাই করা এবং তাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার ঘটিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা ভোগবাদীদের চাপে ফেলাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। ভোগের প্রসাদ লাভ করাই তাদের অভিলাষ। কবিকে তারা ব্যবহার করতে চেয়েছিল পোস্টার, ব্যানার তৈরির জন্য কিছু শ্লোগান বা অপরিপক্ব কিছু পদ্য লেখার কাজে যাতে 'সামাজিক মুক্তি'র লড়াইয়ের আড়ালে তাদের 'অঙ্গরাজ্য' প্রাপ্তির চুক্তি সম্পাদনের কাজটা তরান্বিত হয়। কিন্তু কবির মগজ বলে কথা! 'লাইম ওয়াশ' আর 'হোয়াইট ওয়াশ' এর ফারাক বুঝবেনা? বাগড়া দিল কবি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন