“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০

শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

গুরুজনের প্রতি

                   
                ।।   রফিক উদ্দিন লস্কর  ।। 

 

 

(C)Imageঃছবি

 

 

 

 

 

ই পৃথিবীর আলো বাতাস সেই দিনটাতে
ধাক্কা মারে এমন জোরসে লেগেছিল গা'তে।
করতে জায়গা এই ধরাতে কেঁদেছিলাম খুব,
হৈ-হুল্লোড়ের মাঝেও সবাই থেকেছিল চুপ।   
বয়স বাড়া চেতন আসা বাবা  মায়ের কোলে
দিব্যি দিতেন মা আমারই মুখে খাবার তোলে।  
মা যে আমার প্রথম শিক্ষক যা থেকেই শুরু  
বাবার হাত ধরে হাটতে শেখা যিনি পরম গুরু ।   
মানুষের মতো করতে মানুষ আমাকে যারা
আমি চিরকৃতজ্ঞ আলোর পথের সোপান তারা।
হে  শিক্ষাগুরু , জীবন ঘেরা আপনার অবদান
পথপ্রদর্শক, আদর্শ, আপনি দিয়েছেন জ্ঞান।
জীবনের পরতে পরতে শিক্ষক নামটি জোড়া,
বন্ধুর মতো ব্যবহার যারই আদর স্নেহ মোড়া।    
ধন্যবাদ জানাই আমার প্রিয় শিক্ষক শিক্ষিকা
আলোর পথের সন্ধানে এসে নিলাম যে দীক্ষা।       
অজস্র ধন্যবাদ জানাই হে আমার শিক্ষাদাতা
কঠিন বিষয়ে দিশেহারার সময় আপনি ত্রাতা। 
ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা শত আমার এপর্যন্ত আসাতে
যাদের অবদান জীবনজোড়া দেখা অদেখাতে।  
শুরু হতে অদ্যাবধি যারাই গুরুজন আমার
সকলের তরে জানাই আদাব, সালাম, নমস্কার।

 

 

কোন মন্তব্য নেই: