“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০

বুধবার, ১৫ মে, ২০১৩

বর্ষা


।। লক্ষ্মণ কুমার ঘটক।।





রীরে মেখেছি বর্ষা
তবুও অচেনা।
কিছু না বলে
হাঁটা শুরু করে।
আমি মুখ ফেরাই,
তখনই 
আমার দু'চোখে হাতের স্পর্শ।
শোনা যায় বর্ষার গান;
আবারো জলভরা আবেশ,
তাই মেঘ নাচে,
পাল্টায় রঙ,
কখনও সাদা,
কখনও কাজল রেখা।
যায় বর্ষা মেঘের কাছে,
কাজল আঁকা হয়।
কিছুই বলে না বর্ষা,
এমনকি মেঘের খুনসুটিতেও না।

কোন মন্তব্য নেই: