“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০

বুধবার, ২৫ মে, ২০২২

মা-ডাকে শব্দ নেই

  ।। মিঠুন ভট্টাচার্য ।। 
(C)Image:ছবি















আমি যদি মা হতাম
তাহলে হয়ত হৃদ-ঘড়িটা বেজে চলত।
আজীবন সংগ্রামী রমণী
সেদিনও একক নেতৃত্বে সামনের সারিতে
পেশীর সংকোচন প্রসারণ মুদ্রায়
যুদ্ধরত।
মাথার ব্যথায় যখন বেসামাল
তখন সহজাত ছন্দে
মুষ্টিবদ্ধ হাতে
অস্ত্রোপচারের বৃথা চেষ্টায়
কপালে আঁচড়।
ঘেমো শরীরের সাথে একাত্ম বিছানা
স্মৃতিতে প্রতীকী নামায়
শরৎ সকালের কোমল শীতল
ভরা গ্রীষ্মের বিকেলে।
শরীরী যন্ত্রণার উপাখ্যান
আমার অনুভবে ধরা পড়েনি।
কারণ হয়ত-
আমি মাকে বড় হতে দেখিনি,
বা, আমি মাকে চিনতে চাইনি।
অসম যুদ্ধের পাশাপাশি,
নিরন্তর সাহস দিচ্ছিল
কথা কইতে না পারার অসহ্য মাঝে
আমার মা।
কারণ-
মা জানত আমার ইতিহাস।
মা চিনত প্রাপ্তবয়স্ক আমি-কে ।
আমি মা ছিলাম না !
তাই মায়ের যন্ত্রণার উপশম,
বা,জীবনে টিকে থাকার হদিশ
খুঁজে দিতে পারিনি।
বুকের শেষ উঠানামা
রাত ১০ টা ৫৫ মিঃ অবধি।
 
 
 
 
 
 
 
 

কোন মন্তব্য নেই: