“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০

শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০১১

শিলচর, আসামের দুর্গা পূজা

শিলচর, আসামের দুর্গা  পূজা অনলাইন দেখার /প্রত্যক্ষ করার জন্যে এই লিঙ্ক গুলোতে ক্লিক করুন ।
খণ্ড ১ঃ


খণ্ড  ২ঃ


খণ্ড ৩ঃ



আমার শহর



 
 
 
 
 
 
 
 
  
রীরের রসায়ন বিবস
হয়েছে চান্দ্র অমসৃণতায় --
তবুও বছরে কদিন ঘাড় ঘুরিয়ে
দাঁড়াস অলঙ্কারের বিপুল উদ্ভাসে -
যেন নির্বাক শূন্যতায় ঢেকেছে প্রত্যয় ।

ক্ষনিকের নিবিড় সংলাপে
ঢাকা পড়ে যায় কার ঘরে
কত কত ক্ষয় অবিলম্বে নিশ্চয় ।

কয়েকটাদিন জিরান নিয়ে
আবার শুরু হয় তোর
আকাল বোধন ।
আমার শহর ।
                                                                                       (c) ছবি

পুজোর শেষে


পুজোর শেষে
সন্ধ্যা মা বেরোছিল এমনি একটু ঘুরতে
সঙ্গে সরস্বতী, লক্ষ্মী
বাঁদিকে গণেশ, ডানে কার্তিক
পেঁচা, ময়ূর, সিংহ আর মহিষ।

নদীর ঘাট পেতেই গণেশের হাসি
কার্তিক বলে দেখো মায়ের অবস্থা
বালুর মধ্যে মা আছে মুখ থুবড়ে পড়ে
নেই অলংকার নেই কপালী
আর কই মায়ের শাড়ী?
মহিষের রাগ, পুজো না যেতেই মায়ের অবস্থা এই?

মা বলে,রাগ করিস না দাড়া,
ঐ ছেলেদের দেখ,
খেয়ে জিলেপি কত মহানন্দে
কাপড়টা তারাই নিয়েছিল খুলে।
তাদের বাপ চোর

দশটাকায় বেচে বাজারে
জিলেপি এনেছিল কিনে,
সেই হোক পুজো, আমার আজকে!

বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১১

চল যাই অন্যকোনখানে






পিছনে পড়ে থাক ধুলোময় শহর
ধনীর ফ্ল্যাটবাড়ি গরীবের কুঁড়ে ঘর
ভাঙ্গাচোরা রাজপথ কতশত অলিগলি
পার্ক রেস্তোরাঁ সিনেমাহলগুলি
মানুষের ভিড় গাড়ির জ্যাম
অফিস-আদালত, অঢিটোরিয়াম
গীর্জা, মন্দির, মসজিদ
ফুটপাত, চায়ের দোকান
পড়ে থাকে যে যেখানে
বরাকের পার ধরে আমরা দুজন
চল যাই অন্যকোনখানে |

রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০১১

মনিমালার রান্না : ১২












পুজোর সময় মনিমালা
করবে অনেক রান্না ,
সকালে তে ফুলকো লুচি,
সঙ্গে ধোঁকার ডালনা ।

দুপুরেতে সর্ষে ইলিশ,
আর নিরামিষ সুক্তো
কসা মাংস সঙ্গে আছে,
আমি তারই ভক্ত ।

মোচার ঘণ্ট হবে এবার
সোনা মুগের ডাল ,
পোস্ত বড়া, আলুর দম
আর বোয়াল মাছের ঝাল ।

শেষ পাতে দই মিষ্টি
মিঠা আমের চাটনি ।
খাওয়া দাওয়া দারুন হবে
সঙ্গে আছে খাটনি ।

তাইতো এবার মনিমালার
ঘুম নেই চোখে,
শারদ সংখ্যা পড়ে থাকে
শুধুই পড়ার রেকে
                                                                                                       (c) picture

পূজোর ব্লগ – ছুটির বাঁশি




               আনন্দের সংজ্ঞা ভিন্ন প্রতিজন মানুষের মর্মে। পূজোর আনন্দেরো তা’ই।
যদি এই সময়টা এই বংগালোর নামের নরকে না থেকে থাকতাম দেশ বাড়িতে তবে যা হতো এই চারদিন আড্ডা দিতাম দু চারজন বন্ধুদের সঙ্গে চুটিয়ে ... আর সেই আড্ডার বিষয় নিশ্চয় হতো বই, সিনেমা, ছবি ... মাঝে মাঝে গিয়ে, ভিড়ে মিশে দেখে আসতাম দুর্গা মা’কেও ...

           তা যখন হলোই না তাই ভাবলাম কিছু বন্ধুর সঙ্গে পূজোর আনন্দে ভাগাভাগি    করে নিই কিছু বই, সিনেমা, ছবি ... তাই এই ব্লগ ছুটির বাঁশি ; আসুন বেড়িয়ে যাবেন।

          ইচ্ছা রইলো প্রতি বৎসরই করার। দেখাযাক্‌ দেবী তা চান কি’না ...
                                                                                                             মহাপঞ্চমী, ২০১১;বাংগালোর
                                                                                          (c) picture

মাতাকে মনেপড়ে














মাতার স্মৃতি নিয়ে শরৎ আসে ফিরে মনের নদীতীরে শুভ্র কাশ
আকাশে ফেলে ছায়া অতল এ’কি মায়া গো মাতা তব এই পট্টবাস
সাজায় ধরণীকে সাজায় পাপীকেও বাজায় ঘাসে ঘাসে অমল গান
মাতার সাথে আসে শেফালী ফুলগুলি আহা সে ফুলগুলি পুণ্যবান

দেখোনি মুখ ঐ মেঘের নির্মাণে দেখোনি ঐ চোখ আকাশময়?
অন্ধ তুমি হায় রবে কী চরদিনই ব্রাত্য জন্ম এ এ ভাবে ক্ষয়
হবে কি দিনে দিনে হবে কি রাতে রাতে ছুঁয়েও দেখবেনা শেফালী ফুল?
ছেলেরা ভুলকরে তথাপি মা কভু কখনো না করেন কিছুই ভুল

আমিও ক্ষমা পাবো তুমিও ক্ষমা পাবে শুভ্রমেঘ লিখে বারতা ওই
মাতা যে এসেছেন বসাবে তাঁকে কোথা রেখেছো পেতে তাঁর আসন কই?
আসন পেতে রাখি এই যে ধূলো মাটি সেইতো হে মাতা তোমারি ক্রোড়
এই যে হাহাকার এই যে চীৎকার এসব সকলিতো তোমার সুর
 তুমি যা দানকর তাতেই গানকরি তাতেই আগমনী ও বিসর্জন
তৃতীয় নয়নের বিভাতে ছুঁয়ে দিও ব্রাত্য জনেদের একটি ক্ষণ।।
                                                                           ।।  ১২/১০/২০১০ ।।



শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১১

শরতে চিত্রলেখা










চিত্রলেখা তোমার জন্য
একটি কবিতা শারদ প্রাতে
আপন মনের গোপন কথা
মিশিয়ে দিলাম যার সাথে।
খোলা আকাশ মুক্ত বাতাস
মিষ্টি হাসি রোদের
তোমার ছোঁয়া পায় যেন তারা
আমি ছুঁয়ে নেব তাদের।
ব্যস্ত শহর মস্ত গলি
কালো ধোঁয়ার ভাপ
তাদের মাঝে খুঁজে নেব
তোমার পায়ের ছাপ।
কুমার টুলির মূর্তিগুলি
দেখি দুচোখ ভরে
তাদের ভিড়ে হঠাৎ করে
তোমায় মনে পড়ে
শুধু তোমায় মনে পড়ে।