“...ঝড়ের মুকুট পরে ত্রিশূণ্যে দাঁড়িয়ে আছে, দেখো ,স্বাধীন দেশের এক পরাধীন কবি,---তার পায়ের তলায় নেই মাটি হাতে কিছু প্রত্ন শষ্য, নাভিমূলে মহাবোধী অরণ্যের বীজ...তাকে একটু মাটি দাও, হে স্বদেশ, হে মানুষ, হে ন্যাস্ত –শাসন!—সামান্য মাটির ছোঁয়া পেলে তারও হাতে ধরা দিত অনন্ত সময়; হেমশষ্যের প্রাচীর ছুঁয়ে জ্বলে উঠত নভোনীল ফুলের মশাল!” ০কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশ ০

বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৬

দেবী




















।।   চিরশ্রী দেবনাথ  ।।

দেবীর শরীরে এখন বসনের স্বচ্ছতা  
শয্যা ছেড়ে হাটতে থাকেন তিনি 
শয্যায় পরে থাকে কাশবন, জ্যোৎস্না বিহার, 
তিনি চৌকাঠের বাইরে পা দেন 
রূপবদল হয়, রসবদল হয়, ঘনঘোর শরৎ নামে
আত্মখননে মেতে ওঠে দেবীমেয়ে
জঠরে প্রেমের বিন্যাস, প্লীহার মতো ছেয়ে ফেলে
আকণ্ঠ জল পান করে ধুয়ে দেয় অশুচি চাওয়া 
দেবীর পথের পাশে পাশে পরিশ্রমী মেয়ের দল
তারা শস্যের কথা বলে, গরম ভাতের স্বপ্ন দেখে
দেবীর পায়ে তবু কেনো মাছরাঙা লোভ? 
চোখ নদী পেরিয়ে রাজপথে ...
এরাও দেবী,  রাতজেগে রোজগার করে
রঙিন  ঠোঁটে ঘুমিয়ে আছে কত শ্রমের আর্দ্রতা 
দেবীর ক্লান্তি নেই, তিনি পায়ে মেখে নেন ঔষধি ফল
বিষাক্ত ফুলের রেণু গর্ভে ঢুকে গেছে তার
আঁচরে কামড়ে দিচ্ছে মাতৃত্বের সুখ
সদ্যজাতা একটি রেশমগুটি রোদধোওয়া মাঠে জেগে
বড়ো হবে সেও একদিন...
 সূর্য গ্রহণ লেগে থাকা জামরুল ফলের মতো 
দেবীর পায়ে পায়ে এখন খেলা করছে যুদ্ধমেয়েরা 
তারা জেহাদি, শঙ্খের মালা পরা অশ্বিনী। 
না দেখা পুরুষের মুখাবরণ,
তাদের জিহ্বার তলায়, রেখে গিয়েছে বুলেটের মিশ্র আগুন 
একবার তাকাও দেবী, দেখো,
 আরো কত কত আমরা?
শ্বাসাঘাত, বিল্বপত্র,আর কনকাঞ্জলির অপেক্ষায়। 
ছলছল গভীরে কাঁকন পরছে কোন এক দেবীমেয়ে, 
ভাঙছে অন্য জনা  নিঃশব্দে, আলোয়, স্বেদমধ্যাহ্নে ...

(প্রকাশিত;প্রণাম, গুয়াহাটি )


মাতৃরূপেণ


 ।। দেবলীনা সেনগুপ্ত।।

(C) Image:ছবি





















‘রূপংদেহি, জয়ং দেহি, যশোদেহি----’

চন্দ্রাতপের নিচে
বিছিয়ে রাখি আতপ্ত শরীর
বীজনে মধুক্ষরা শান্তির ছল
কাঙ্ক্ষিত স্তবে আকাঙ্ক্ষিত নির্মাণ শবপ্রতিমার৷
আমি প্রান্তরে হেঁটে যাওয়া কৃষকরমণী
সাধারণী
মনোযোগী শস্যনির্মাণে
ক্ষুধার্ত সন্তানের৷
অস্বীকার করেছি প্রতিদিনের সহমরণ
অবহেলায়
রূপ জয় যশ লোভী পৃথিবীর বিপরীতে
ভেসে যাই জল- মাটি ভেঙে
একাকী অসীমে
আঁচলের ছিদ্রপথে
খেলা করে সূর্য ও চাঁদ
ভুলে যাই বিষাদ, জন্মান্তরের৷

দর্পণে দেখেছি মুখ
চাকচিক্যহীন
বিষ্ণুচক্র থেমে গেছে দূরে
স্পর্ধিত দৃষ্টির আগে,
ঈপ্সিত নয় সতীমাহাত্ম্য
খণ্ডিত দেহভাগের৷

আমার পূর্ণ পৃথিবী
প্রতি সন্ধ্যাকালে
জড়ো হয় সহজ দাওয়ায়
স্বেদসিক্ত ভালে
জেগে ওঠে ত্রিনয়ন গভীর মায়ায়

আমি নারী, সাধারণী
সন্তান পরশে শুধু দিব্যজননী৷









বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৬

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধেয়ক সংক্রান্ত কয়েকটি কথা


মূল অসমিয়া: কৌশিক দাস
বাংলা অনুবাদ: আলি ইব্রাহিম

       
   সংবাদ শিরোনামে এখন নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধেয়কের কথাই দখল করে আছে। বিধেয়কটির আড়ালে রয়েছে শাসক দলের গভীর চিন্তা-চৰ্চা, সতৰ্ক হিসাব-নিকাশ এবং কৌশল। বিধেয়কের বিরোধিতা করতে হলে তেমন কূটকৌশলের দিকটি ভাল করে জনা প্রয়োজন।
        প্রথমেই বলে রাখি, আমরা তৎকালীন রাজনীতির কোনো প্রাজ্ঞ বিশ্লেষক নই। তথাপিও, বিষয়ের গুরুত্ব আছে ভেবেই, আমরা এখানে দুটি দিক নিয়ে আলোচনার চেষ্টা করছি। আশাকরি যোগ্য ব্যক্তিরা আলোচনাটি সঠিক পথেই নিয়ে যাবেন, আমাদের ভুল-ভ্রান্তি দূরে রেখেই।
         প্রথম কথা হল, বিধেয়কটিতে হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ আদি ধর্মের মানুষ অন্য দেশে থেকে ধৰ্মীয় কারণে নিৰ্যাতিত হয়ে আসার জন্য তাদেরকে ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদান করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বুঝতে কোন অসুবিধা হওয়ার কথা নয় যে, অন্য ধৰ্মাবলম্বী লোকের কথা সেখানে থাকলেও, মুখ্য টাৰ্গেট হচ্ছেন হিন্দু বাংলাদেশিরা। এই পটভূমিতে, এই পোষ্টে আমরা গুরুত্ব সহকারে তিনটা দিকের কথা আলোচনা করার চেষ্টা করব।
১. NRC-র ব্যাপারে আসামের প্রায় সকল দল-সংগঠনের মধ্যে ঐকমত্য পরিলক্ষিত হয়েছিল। আসু সহ অসমিয়া জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলো NRC-র প্রক্রিয়াদি সমৰ্থন করেছিল। কিছু অসমিয়া  জাতীয়তাবাদীরা ভেবেছিল যে "মিঞা’-দের(বাঙালি মুসলমান) মধ্যে NRC এক আতংকের সৃষ্টি করবে, এবং তারা এর বিরোধিতা করবে। কিছু অসমিয়া  জাতীয়তাবাদীরা সকল "মিঞা’কেই অনুপ্রবেশকারী বলে ধরে নিয়েছিল (এখনোও নেয়)। তেমন অযৌক্তিক ধারণার বশবৰ্তী হয়ে তারা ধারণা করেছিল যে "মিঞা’-রা NRC-র বিরোধিতা করবেই। স্বাভাবিকভাবেই সেটা আর হল না। বহু দশক ধরে নাগরিকত্বের প্রশ্নে লাঞ্ছিত-অপমানিত হয়ে থাকা এই সকল আসামবাসী ভারতীয়ই NRC-কে সাদরে স্বাগত জানালো, NRC-র কাজে সক্রিয় সহযোগিতায় এগিয়ে এলো।
ছোট্ট করে এখানেই আপনাদের মনে করে দিতে চাই যে NRC-র ভিত্তিবৰ্ষ ছিল ১৯৭১সন। অসম চুক্তির (১৯৮৫ সনের) সাতে সেটাই ছিল সংগতিপূৰ্ণ।
অনুপ্রবেশের সাথে সম্পৰ্কিত ভিত্তিবর্ষের প্রশ্নে বিভিন্ন দল-সংগঠন-জনগোষ্ঠীর মধ্যে তেমন ঐকমত্য আগে কখনও পরিলক্ষিত হয় নি। কিন্তু তা থেকে আমরা এমন একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারবনা যে অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সকল আসামবাসীর মত হঠাৎ একমাত্রিক হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই উল্লেখ করা একটি কথাকে উদাহরণ হিসেবে নিই। একাংশ জাতীয়তাবাদীরা NRC-র মাধ্যমে অধিক সংখ্যায় "মিঞা’(বাঙালি মুসলমান) বিপৰ্যস্ত হয়ে পড়বে বলে উৎফুল্লিত হয়েছিল। অন্যদিকে মিঞারা NRC-র মাধ্যমেই বহু বছর ধরে ঝুলে  থাকা আত্মপরিচয়ের সংশয় দূর হবে বলে ধারণা করেছিল। স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের মধ্যে বিরোধ থাকা স্বত্বেও দুটো পক্ষই NRC-কে স্বাগত জানিয়েছিল।
             তেমন বিরোধ, তেমন অন্তৰ্দ্বন্দ্ব যে ছিল সেটা সত্যিই,কিন্তু উক্ত দল-সংগঠন NRC-র ভিত্তিবর্ষের প্রসঙ্গে একমত হওয়ার জন্য বহু দশক ধরে আসামকে ভারাক্রান্ত করা সমস্যাটির একটা সমাধান আংশিকভাবে হলেও যে বেরোনোর সম্ভাবনা দেখা দিয়ে ছিল,সেটা তারা বিশ্বাস করেছিল। অনুপ্রবেশের সমস্যাটিকে জীবনীশক্তি করে গড়ে ওঠা নোংরা রাজনীতির জন্য এই কথাটা খুব অস্বস্তিকর হয়ে পড়েছিল কিছু রাজনৈতিক দলের জন্য। কারণ বহু বছর ধরে এই সমস্যাটি ছিল সোনার ডিম পাড়া হাসের কাহিনীর মতোই।আসু-আমসু-কংগ্রেস-বিজেপি-এদের তাৎক্ষণিক সুবিধাবাদী রাজনৈতিক অবস্থান কিম্বা অস্তিত্ব অনুপ্রবেশের সমস্যার সাথে বহুদূর পর্যন্ত সম্পৰ্কিত ছিল। উল্লেখযোগ্য কথা হল, একমাত্র বামপন্থী দলগুলিই এই সমস্যা থেকে তেমন কোনো বিশেষ রাজনৈতিক মুনাফা লাভ করতে পারে নি,বরং উক্ত সমস্যা একসময়ে তাদের প্রতি যথেষ্ট দুৰ্যোগ এবং প্রত্যাহ্বান নিয়ে এসেছিল। গত শতকের অষ্টম দশকে তেমনই প্রত্যাহ্বানের বিরোধ করতে গিয়ে তাদের করা বীরত্বপূ্ৰ্ণ সংগ্রাম এবং আত্মবলিদান আসামের ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।অবশ্য পরে একাংশ বামদল নিৰ্লজ্জের মতোই জাতীয়তাবাদী শিবিরের সাথে সংসদীয় ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করেছিল।(সাথে বলে রাখি,অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গে বামপন্থী দলগুলোর মধ্যেও মতদ্বন্দ্ব আছে।সাথে এটাও বলে রাখি যে,অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গে এই পোষ্টদাতারও বিরোধ আছে বামপন্থী দলগুলোর একসময়ের বিচার-বিশ্লেষণের সাথে। সেগুলো অবশ্য প্রসঙ্গান্তরের কথা)।
             যাই হোক, NRC-র মাধ্যমে অনুপ্রবেশের সমস্যার সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা বিনষ্ট করা সুবিধাবাদী রাজনৈতিক দলগুলির জন্য খুব দরকারি হয়ে পড়ল। কথাটা বহুদূর পর্যন্ত ভোট ব্যাঙ্কের সাথে সম্পৰ্কিত। হিন্দু বাঙালি এক্ষেত্রে তেমন দলগুলির টাৰ্গেট হয়ে পড়ল। তেমনই একটি পটভূমিতেই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধেয়ক কাৰ্যকরী করতে সক্রিয় হয়ে উঠার কথাটা সম্পৰ্কিত হয়ে আছে। মূলত কোন শিবির এক্ষেত্রে সক্রিয়, সেটা বলা বাহুল্য।
                 ২. আসামবাসী বাঙালিদের প্রসঙ্গে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধেয়কের কিছু আলোচনা এই ফেসবুকে ইতিমধ্যে হয়ে গেছে বা হয়ে আসছে। কিন্তু বিধেয়কটির তাৎপৰ্য মাত্র ভাষিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ বলে ভাবলে ভুল হবে। এর সাথে ধৰ্মীয় দিকটিও অনিবাৰ্যভাবে বিযুক্ত হয়ে আছে। বাংলাদেশি হিন্দু বাঙালিদেরকে নাগরিকত্ব প্রদানের কথাটা আসামে বাস করা অসমিয়া,বাঙালি ও অন্যান্য ভাষিক জনগোষ্ঠীর প্রতিক্রিয়া এই দুই কথাই বহুদূর পর্যন্ত প্রভাবান্বিত করবে- প্রথমত, তাদের ভাষা, দ্বিতীয়ত ধৰ্ম। এইগুলির উপরে ভিত্তি করে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধেয়কটির সন্দর্ভে, ক্ষেত্র বিশেষে, তারা উৎফুল্লিত কিম্বা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
                বলা বাহুল্য,আসামবাসী এক্ষেত্রে উৎফুল্লিত হয়ে উঠা কিন্তু মোটেও যুক্তিসঙ্গত কথা হবে না,তার সম্ভাবনাও হয়তো নেই বলব। কিন্তু বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে,সেই ক্ষোভ সঠিক দিকে পরিচালিত নাহলে আসামের মাটি আরও একবার রক্তাক্ত হয়ে উঠবে,সেটা নিশ্চিত বলা যায়।কথাটি কোনো রাখ‌ঢাক না রেখে এভাবেও বলা যায়,যে বিপুল সংখ্যক বাঙালি হিন্দু বাংলাদেশীকে নাগরিকত্ব প্রদান করার প্রস্তুতিতে অন্য ভাষিক জনগোষ্ঠীর মনে বহুমাত্রিক (যেমন সংখ্যালঘু হয়ে পড়ার ভয়, সাংস্কৃতিক আধিপত্যের সংকোচন ইত্যাদি) আশংকার জন্ম দেবে।এই আশংকাজনিত ক্ষোভ সমগ্র বাঙালি সমাজের দিকে ধাবিত হওয়ার সম্ভাবনাই অত্যন্ত প্রবল।তেমন সম্ভাবনার সতর্কবাণী ইতিমধ্যেই কোনো কোনো মানুষের মত-মন্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে,কথাটা খুবই উদ্বেগের কথা কিন্তু। সবাই মনে রাখা ভাল যে সমগ্র বাঙালি সমাজটিই এক্ষেত্রে কোনোভাবেই দায়ী নয়। তাদের বলির পাঠা বানানো এসমস্ত ঘটনাবলীর আড়ালের অপশক্তি কারা,সে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া অত্যন্ত জরুরী কিন্তু। নাহলে যতই তীব্র হোক তাদের সকল বিক্ষোভ-প্রতিবাদ,সবই পথভ্রষ্ট পণ্ডশ্রম হয়ে পড়বে।কথাটা এখানেই শেষ নয়, আসামবাসী বাঙালিসমাজ অন্য জনগোষ্ঠীর দ্বারা আক্রান্ত হলে,নিরাপত্তার অলীক আশ্বাসে তারা বাধ্য হয়ে ধৰ্মীয় সাম্প্রদায়িক অপশক্তির পাশে চলে যাবেন,এধরণের কূটকৌশল সমগ্র আসামবাসী অনুধাবন করা খুবই প্রয়োজনীয়।
            এক্ষেত্রে বলা যায় আসামের বাঙালি সমাজেরও কিন্তু একটি গুরুদায়িত্ব আছে। তারা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধেয়ক সম্পর্কে অন্যান্য আসামবাসীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। ১৯৬০ কিম্বা ১৯৭১ সনের সেই পৈশাচিক উন্মাদনা নিশ্চয় কোনো শুভবুদ্ধিসম্পন্ন লোকই পুনরায় ঘুরে আসাটা কামনা করবেন না। সুখের কথা হল,কোনো কোনো আসামবাসী বাঙালি সংগঠনে ইতিমধ্যেই কথাটির গুরুত্ব অনুধাবন করে সুস্থ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করছে।আজকের (১৫.১০.২০১৬) অসমিয়া  সংবাদ পত্রে প্রকাশ হয়েছে যে সারা আসাম বাঙালি যুব ছাত্র ফেডারেশন উক্ত বিধেয়কের তীব্র বিরোধিতা করেছে। এটা অবশ্য খুব ভাল খবরই বলব। বাঙালি সমাজ এমনই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করলে সকলেরই মঙ্গল।
            ৩. শেষের দিকটি সংক্ষেপে উপস্থাপন করে শেষ করব। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধেয়কের লজিক্যাল ভিত্তিটাই বা কী? বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে হিন্দুদের ধৰ্মীয় কারণেই আজ তারা নিরাপত্তাহীন। কথাটা কি সত্য? তাহলে এখানে একটি তথ্য দেওয়া যাক, ২০০৭ সালে বাংলাদেশে দূৰ্গা পূজার মণ্ডপের সংখ্যা ছিল ২৭,০০০-টা। এবছর (২০১৬) এই সংখ্যা ২৯,৫০০। গত বছর (২০১৫) এই সংখ্যা ছিল ২৯,০৭৪। এই পরিসংখ্যান কিই বা প্রমাণ করে? সেটা আপনারা বুঝবেন আশা করি। অত্যন্ত আবেগের সাথে বলতে হয় যে,বাংলাদেশের হিন্দু এতো বেশি নিৰ্যাতিত যে তাদেরকে আসামই নিরাপত্তা দেবে;কিন্তু বাস্তব তথ্যই যেখানে সম্পূৰ্ণ বিপরীত, সেখানে এ ব্যাপারে কীই বা বলার।

          (সীমিত জ্ঞান,ভুল-ভ্রান্তি মিলিয়ে এই লেখাটি বঙ্গানুবাদ করেছি। আপনারা চিন্তাশীল ব্যক্তিগণ এই বিষয়ে আরও ভালো মতামত দিলে আলোচনা আরও ভাল ও সুস্থ হয়, সাথে ভুল ভ্রান্তিজনক কোন অসুবিধে থাকলেও দেখিয়ে দেবেন।)

শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৬

৬ ষ্ঠ উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় বাংলা ছোটপত্রিকা (লিটল ম্যাগাজিন) সম্মেলন ২০১৬, তিনসুকিয়া



বিজ্ঞাপন

৬ ষ্ঠ উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় বাংলা ছোটপত্রিকা (লিটল ম্যাগাজিন) সম্মেলন ২০১৬, তিনসুকিয়া
২৪ এবং ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৬
স্থান: বঙ্গীয় দুর্গাবাড়ি রঙ্গমঞ্চ, তিনসুকিয়া
উজান সাহিত্য গোষ্ঠী, তিনসুকিয়া।

Byanar 02সুজনেষু,
সম্ভাষণ গ্রহণ করুন। আসামের উজান প্রান্তের তিনসুকিয়া শহরে আমরা ক’জন সৈনিক  ‘উজান সাহিত্য গোষ্ঠী’-র ধ্বজা ধরে, বাংলা সাহিত্য ও চর্চায় ব্রতী রয়েছি এগার বছর অতিক্রান্ত হল।  আপনারা হয়তো জানেন যে সামান্য কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আমরা এগিয়ে চলার চেষ্টা করছি তাদের অন্যতম হল আমাদের ছোট্ট পত্রিকা ‘উজান’-এর নিরবচ্ছিন্ন প্রকাশ এবং ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি সংক্রান্তিয় বিভিন্ন ছোট –বড় অনুষ্ঠান আয়োজন করা । সেই ক্রম মেনে এবারে আমাদের উপরে দায়িত্ব এসে পড়ল  তিনসুকিয়াতে  উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় বাংলা ছোট পত্রিকার ৬ষ্ঠ সম্মেলনটি আয়োজন করবার। ৫ম সম্মেলন হয়েছিল শিলঙে, ২০১৪র মে মাসে। সেখানে এই সিদ্ধান্ত হয়েছিল।  দিন ঠিক হল ২০১৬-র ২৪ এবং ২৫শে ডিসেম্বর, শনি এবং রবিবার।  হবে শহরের প্রাণকেন্দ্রে বঙ্গীয় দুর্গাবাড়ি প্রেক্ষাগৃহে।
            এই সম্মেলনে আপনাদের সবাইকে অংশ গ্রহণ করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।আপনাদের পত্রিকা এবং অন্যান্য প্রকাশনা নিয়ে এলে সম্মেলনটি  সফল হবে , সেই সঙ্গে বাড়বে এর  সৌষ্ঠব।
          বন্ধু,
 যে সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার প্রেরণায় আমরা সহযাত্রী,এই চর্চাক্ষেত্রের বিভিন্ন প্রসঙ্গ আলোচনার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই সম্মেলন আপনাদের উপস্থিতি বৈ অসম্পূর্ণ।
তাই আশা করছি, আপনারা স্ব-উৎসাহে এই সম্মেলনে নিজেরা যোগ দেবেন, অন্যান্য সম্পাদক লেখক বন্ধুদেরকেও আসতে অনুপ্রেরণা যোগাবেন। নিয়ে আসবেন সঙ্গে করে। দু’টো দিন আমরা সবাই এক সঙ্গে কাটাব সাহিত্য রসে এবং জিজ্ঞাসায় ডুবে।
অংশ গ্রহণের নিয়মাবলী, অনুষ্ঠানমালার একটি প্রাথমিক ছক  এবং আবেদন পত্র সঙ্গে রইল।
                                                                    ইতি
                                                         
 
   


                                              ত্রিদিব দত্ত ও  সৌমেন বন্দ্যোপাধ্যায়
                                                         যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
                     ৬ষ্ঠ উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় বাংলা ছোট পত্রিকা সম্মেলন
                               আয়োজন সমিতি।
                                তিনসুকিয়া,২০১৬

¬¬¬000¬¬¬

 ।। অনুষ্ঠানসূচী।।
              ।। ২৪ শে ডিসেম্বর ২০১৬, শনিবার ।।

সকাল ০৮-০০       : পঞ্জিয়ন
সকাল ০৯-৩০       : স্মৃতি তর্পণ
সকাল ০৯-৪০       : পতাকা উত্তোলন
সকাল ০৯-৫০       : প্রদর্শনী উদ্বোধনঃ  বিজয় কৃষ্ণ নাথ
সকাল  ১০-১০      : অশোক কুমার কর্মকার স্মৃতিমঞ্চ উদ্বোধন : খালেদ হোসাইন
সকাল  ১০-৩০      : সম্মেলন উদ্বোধন : পবিত্র সরকার
সকাল ১০-৫০       : শ্রী হরেন্দ্রনাথ বরঠাকুর ও ডাঃ কীর্তি রঞ্জন দে-কে সংবর্ধনা
সকাল ১১-১০       : প্রতিনিধিদের পরিচয় পর্ব
সকাল  ১১-৪০      : বই পত্র পত্রিকা উন্মোচন
দুপুর   ১২-১৫      : সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
দুপুর   ১২-৩০      : প্রথম আলোচনা চক্র : কবি হীরেন ভট্টাচার্যের স্মরণে উৎসর্গিত
                       পূর্বোত্তরের মাতৃভাষাগুলোতে বৌদ্ধিক চর্চা  এবং ছোট বা সাময়িক পত্রিকা।
দুপুর ০২-০০        :    বিরতি
দুপুর ০৩-০০        :   সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
দুপুর ০৩-১৫        :   দ্বিতীয় আলোচনা চক্র : কবি বিমলেন্দু দে’র স্মরণে উৎসর্গিত
                       পূর্বোত্তর ভারতে বাংলা ছাপা এবং বৈদ্যুতিন প্রকাশনা শিল্প : সত্তা সঙ্কট এবং সম্ভাবনা
বিকেল ০৪-৪৫     :  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
বিকেল ০৫-০০     :  কবি, সমাজ বিজ্ঞানী অমলেন্দু গুহের স্মরণে উৎসর্গিত
                        নির্বাচিত কবিদের বহুভাষিক কবিতা পাঠের আসর
সন্ধ্যা  ০৬-৩০       :  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
সন্ধ্যা  ০৬-৪৫       :  তৃতীয় আলোচনা চক্র : কথাশিল্পী নির্মল চৌধুরীর স্মরণে উৎসর্গিত
                        পূর্বোত্তর ভারতের বাংলা কথা সাহিত্য
রাত  ০৮-১৫        : সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
রাত ০৮-৩০         :  অনুচলচ্চিত্র এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শন : চলচ্চিত্র পরিচালক এবং সমালোচক আলতাফ মজিদের স্মরণে
   উৎসর্গিত
                           দেখানো হবে কৈলাশহর , ত্রিপুরার ‘উডুম্ভূম’ গোষ্ঠীর কিছু অনুচলচ্চিত্র এবং সন্দীপন ভট্টাচার্যের তথ্যচিত্র 
   ‘রেলপাহাড়’

।। ২৫ শে ডিসেম্বর ২০১৬, রবিবার ।।
সকাল ০৭-০০       :   শোভাযাত্রা
সকাল ০৯-৩০       : নিখিলেশ্বর চৌধুরী স্মৃতিমঞ্চ উদ্বোধন
সকাল  ০৯-৪৫      :  পবিত্র সরকার, খালেদ হোসাইন এবং  সন্দীপ দত্তের ভাষণ
সকাল ১০- ৪৫      : চতুর্থ আলোচনা চক্র : কবি সাংবাদিক এবং শিক্ষাবিদ দেবরঞ্জন ধরের স্মরণে উৎসর্গিত
                   বিদ্যালয়-মহাবিদ্যালয় স্তরের বাংলা পাঠ্যক্রম এবং শিশু-কিশোরদের বাংলা চর্চা
দুপুর ১২-১৫         :  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
দুপুর ১২-৩০        :  পঞ্চম আলোচনা চক্র : কথাশিল্পী অঞ্জলি লাহিড়ির স্মরণে উৎসর্গিত
                        পূর্বোত্তরীয় বাংলা সাহিত্যের বাহিরানা (আঞ্চলিকতা)
দুপুর  ০২-০০       :  বিরতি
দুপুর ০৩-০০        :   সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
দুপুর ০৩-১৫        : কবি ঊর্ধ্বেন্দু দাশের স্মরণে উৎসর্গিত
                          বাংলা কবিতা পাঠ এবং কাব্যগীতির আসর
 বিকেল ০৪-৪৫    : সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
বিকেল ০৫-০০     : প্রতিনিধি সম্মেলন  : গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় স্মরণে উৎসর্গিত
                        লিটিল ম্যাগাজিন সম্মেলন গুলোর থেকে লেখক-সম্পাদকদের প্রাপ্তি –অপ্রাপ্তি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। 
সন্ধ্যা ০৬-৩০        :  সমাপ্তি অধিবেশন
রাত ০৭-১৫         :  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান : খালেদ চৌধুরী তথা চিরকুমার দত্ত চৌধুরীর স্মরণে উৎসর্গিত
                        শুভপ্রসাদ নন্দী মজুমদারের সঙ্গীত, অমিতাভ সেনগুপ্তের বাদন, ধামাইল এবং অন্যান্য।
    ০০০                          ০০০                              ০০০                              ০০০
আয়োজন সমিতি
মুখ্য পৃষ্ঠপোষক     :  বিজয় কৃষ্ণ নাথ

পৃষ্ঠপোষক           : সৌমেন ভারতীয়া, সুরজিৎ স্বামী, শ্যামল রায়, কমলেশ চক্রবর্তী, পথিক দেব, সুপ্রতীম পুরকায়স্থ, ভাস্কর
  দত্ত, ডাঃ স্বরাজ ভট্টাচার্য, বিনায়ক ভট্টাচার্য, গৌতম চক্রবর্তী।

মুখ্য উপদেষ্টা        : হরেন্দ্রনাথ বরঠাকুর, ড০ ঊষারঞ্জন ভট্টাচার্য

উপদেষ্টা মণ্ডলী      : ডাঃ হীরালাল চক্রবর্তী, ড০ সুখেন চক্রবর্তী, আব্দুল রৌফ, গৌতম ভট্টাচার্য, কলম ভট্টাচার্য, পুলকেশ
  বোস, শঙ্কর গুপ্ত, তৈমুর রাজা চৌধুরী, শুভব্রত দেব, অশোক দত্ত, প্রসূন বর্মন, অজিত কর, কাজল দেব,
সমীরণ গুহ, অসিত গুপ্ত, সৌমেন দেব, রামপ্রসাদ দুবে, অরুণ ভট্টাচার্য, কৃষ্ণ উপাধ্যায়, অমল মুখার্জি,
রঞ্জিত নন্দী, পূর্ণেন্দু দাস, ডাঃ মনোজ সাহা, স্নেহময় বর্ধন, নমিতা দে সরকার, গীতা দে, বিধান চন্দ্র
দেবরায়, চিত্ত দেব, বঙ্কিম চন্দ্র গগৈ, সুবীর ভট্টাচার্য, পল্লবী শর্মা, রঞ্জিত ফুকন, মঞ্জুরি শর্মা ফুকন, মৃদুলা
চালিহা শর্মা, তৃপ্তি দাস, অনুভা বরুয়া, সঞ্জয় চক্রবর্তী, সান্ত্বনা সেন চৌধুরী, অভিজিত দত্ত (রাহুল), নিশা
গুপ্তা, শ্যামানন্দ ভট্টাচার্য, বাবন ঘোষ, নির্মলেন্দু চট্টোপাধ্যায়, অজিত পাল, ক্ষিতীশ রায়, শেখর দাস,
অসিত রায়, বীরেন্দ্র দেব, ভদ্রেশ্বর চৌধুরী, সুভাষ দে সরকার, পরিমল ভট্টাচার্য, অনুপ কুমার গোস্বামী,
দেবদুলাল গোস্বামী, বিদ্যুৎ রক্ষিত, ড০ পূর্ণেন্দু শেখর দাস, প্রদ্যোত মজুমদার।

মুখ্য তত্ত্বাবধায়ক     : ডাঃ কীর্তি রঞ্জন দে

মুখ্য সমন্বয়ক       : সুশান্ত কর

সভাপতি              : ডাঃ নক্ষত্র বিজয় চৌধুরী

কার্যকরী সভাপতি  : সুজয় কুমার রায়

উপসভাপতি          : জ্ঞান রঞ্জন দে, দুর্গাপদ শীল, জীবেশ দেব, প্রশান্ত ভট্টাচার্য, ভানু ভূষণ দাস, সুশান্ত চক্রবর্তী, সবিতা
                         দেবনাথ, মাধুরী ভট্টাচার্য, নীহারিকা দেবী, ড০ শুক্লা সরকার, দীপ্তি শর্মা, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, অভিজিৎ রায়।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক : সৌমেন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ত্রিদিব দত্ত

সহকারী সম্পাদক    : গোপাল বসু, দীপক চক্রবর্তী, ত্রিদিপ ঘোষ

কোষাধ্যক্ষ            :  সুভাষ সরকার
সদস্য/ সদস্যা       : রঞ্জিত মজুমদার, প্রাণজিৎ শর্মা, ডাঃ তুহিনা ভট্টাচার্য, বর্ণালি সেনগুপ্ত, বর্ণালি চৌধুরী, পার্বতী দেব, মায়া
রায়, বাবলি চক্রবর্তী, দেবব্রত বীর, চৈতালি ভট্টাচার্য, জ্যোতির্ময় শর্মা বরঠাকুর, বিশ্বজিত চক্রবর্তী, চন্দ্রা
দেবনাথ, রুনু দাস, বুলনজিৎ চক্রবর্তী, সন্দীপ দাস, দেবাশিস লোধ, দীপ্তি লোধ, মালবিকা দাস, মুনমুন
চৌধুরী, সাথী শর্মা, উমা গাঙ্গুলি, নমিতা ঘোষ, আশুতোষ কর, শুভ্র মল্লিক চৌধুরী, কার্তিক আচার্য, রিংকু
চক্রবর্তী, জীবন কৃষ্ণ সরকার, স্বস্তি সাধন চক্রবর্তী, নবেন্দু পুরকায়স্থ, গোপাল মজুমদার, মৃণালিনী সরকার,
অতনু চক্রবর্তী, সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, তপন চন্দ্র দেবনাথ, সমীরণ ধর, শিবু গৌতম বল, শঙ্কর ব্যানার্জি,
নন্দিতা ব্যানার্জি, জগবন্ধু বিশ্বাস, শুভাশিস চক্রবর্তী, হরিপদ পাল, বনশ্রী দত্ত, কঙ্কণ দাস, বর্ণালি দে
সরকার, সুব্রত মজুমদার, শমীরা দাস, বাণীব্রত দে শৈবাল মুখার্জি, দীপক ইন্দু।

হিসাব পরীক্ষক       : তরুণ পাল (সি.এ)

।। বিভিন্ন উপসমিতি ।।

অভ্যর্থনা ও কার্যালয়  :  সুভাষ সরকার (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা        :  সমীরণ ধর, অসিত গুপ্ত, অশোক দত্ত, জগবন্ধু বিশ্বাস, স্বস্তি সাধন চক্রবর্তী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী।

আপ্যায়ন ও খাদ্য    : প্রশান্ত ভট্টাচার্য (আহ্বায়ক)
  শুভাশিস চক্রবর্তী, সুশান্ত নাথ, দীপক চক্রবর্তী, হরিপদ পাল,কঙ্কণ দাস, জীবেশ দেব।

প্রতিনিধি শিবির       : গোপাল মজুমদার (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা        : প্রশান্ত ভট্টাচার্য, দীপক চক্রবর্তী, হরিপদ পাল, অতনু চক্রবর্তী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, কঙ্কণ দাস, জীবেশ দেব, 
                         গোপাল বসু।

অতিথি বরণ           : ডাঃ তুহিনা ভট্টাচার্য (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা        :মুনমুন চৌধুরী, সবিতা দেবনাথ, বর্ণালি সেনগুপ্ত, নমিতা ঘোষ, উমা গাঙুলি, মালবিকা দাস, বনশ্রী  দত্ত,
                         বর্ণালি চৌধুরী, মৃণালিনী সরকার, সুচয়িতা চক্রবর্তী।

পরিবহন             : ত্রিদিপ ঘোষ (আহ্বায়ক)
সদস্য                 : তপন চন্দ্র দেবনাথ, সুশান্ত চক্রবর্তী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, ভদ্রেশ্বর চৌধুরী, বাণীব্রত দে, জীবন কৃষ্ণ সরকার,    
                          শিবু গৌতম বল, সুব্রত মজুমদার।

প্রদর্শনী ও গ্রন্থমেলা  : গোপাল বসু (আহ্বায়ক)
সদস্য                 :  কঙ্কণ দাস, ভানু ভূষণ দাস, অভিষেক দাস, স্বরূপ দাস, সিদ্ধার্থ গৌতম, সমরজিৎ ভাওয়াল, পৌষালি
  কর, পৌলমী বন্দ্যোপাধ্যায়।

আলোচনা চক্র ও কবি
সম্মেলন              : সুশান্ত কর
সদস্য                  গৌতম ভট্টাচার্য, প্রসূন বর্মন, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, অজিত কর, সঞ্জয় চক্রবর্তী, জ্যোতির্ময় সেনগুপ্ত, নীলদীপ
 চক্রবর্তী, সান্ত্বনা সেন চৌধুরী, ভানু ভূষণ দাস

স্মরণিকা              : গোপাল বসু (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা       : ভানু ভূষণ দাস, সবিতা দেবনাথ

সাংস্কৃতিক           : সৌমেন বন্দ্যোপাধ্যায় (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা       : জীবন কৃষ্ণ সরকার, অমিতাভ সেনগুপ্ত, ডাঃ তুহিনা ভট্টাচার্য, বর্ণালি সেনগুপ্ত, নমিতা ঘোষ, সাথি শর্মা,
                          মালবিকা দাস, মুনমুন চৌধুরী, বর্ণালি চৌধুরী, বনশ্রী দত্ত, অতনু চক্রবর্তী, মৃণালিনী সরকার।
বিজ্ঞাপন ও প্রচার   : কঙ্কণ দাস (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা       : স্বস্তি সাধন চক্রবর্তী, দীপক চক্রবর্তী, পার্থ সারথি দত্ত।

যোগাযোগ ও নিমন্ত্রণ: সুশান্ত কর (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা       : ভানু ভূষণ দাস, গোপাল বসু, সবিতা দেবনাথ, প্রসূন বর্মন

শোভাযাত্রা            : গোপাল মজুমদার (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা       : শৈবাল মুখার্জি, সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বস্তি সাধন চক্রবর্তী, অভিজিৎ রায়, জীবেশ দেব, বিদ্যুৎ
                          চক্রবর্তী, গোপাল দে, সুব্রত দেবনাথ

মঞ্চ, আলো, শব্দ    :ত্রিদিব দত্ত (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা       :  সৌমেন বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন সিংহ রায়, দীপঙ্কর চৌধুরী।

স্বেচ্ছাসেবক          : তপন চন্দ্র দেবনাথ (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা       কঙ্কণ দাস, ত্রিদিপ ঘোষ, কার্তিক আচার্য

অনুষ্ঠান পরিচালনা  : ত্রিদিব দত্ত (আহ্বায়ক)
সদস্য/ সদস্যা       : সৌমেন বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম ভট্টাচার্য, শতাব্দী গাঙ্গুলি

তহবিল সংগ্রহ উপদেষ্টা: ডাঃ কীর্তি রঞ্জন দে, ডাঃ নক্ষত্র বিজয় চৌধুরী,
আহ্বায়ক             : সুজয় কুমার রায়
সদস্য/ সদস্যা       : প্রশান্ত ভট্টাচার্য, ত্রিদিপ ঘোষ, দীপক চক্রবর্তী, শিবু গৌতম বল, সুভাষ সরকার, কমলেশ চক্রবর্তী

চিকিৎসা              : ডাঃ কীর্তি রঞ্জন দে, ডাঃ নক্ষত্র বিজয় চৌধুরী, ডাঃ স্বরাজ ভট্টাচার্য

~~~০০০~~~ 

।। নিয়মাবলী ।।


১) ডিসেম্বর,১৬র ২৪ ও ২৫ তারিখে অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে প্রতিটি পত্রিকা গোষ্ঠীর দু’জন প্রতিনিধির থাকা  
    খাওয়ার ব্যবস্থা করব আমরা।
২) কোন পত্রিকাগোষ্ঠী যদি দুইয়ের অধিক প্রতিনিধি নিয়ে আসেন বা একক কবি/লেখক/ পাঠক এই  
   সম্মেলনে  যোগ দিতে আগ্রহী হন তাদেরও  থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করছি আমরা।
৩) দুই ক্ষেত্রেই প্রতিনিধি  শুল্ক পত্রিকা গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে ` ৩০০/-  ধার্য করা হল।
৪) প্রতিনিধি আবেদন পত্র,প্রতিনিধি শুল্ক সহ ১৫ নভেম্বর, ২০১৬-র মধ্যে আয়োজন সমিতির ঠিকানাতে
    পাঠাতে হবে ।
৫) প্রতিনিধি শুল্ক ‘উজান সাহিত্য গোষ্ঠী’ নামে একাউন্ট পেয়ী চেক মারফৎ পাঠাবেন।
৬) সম্মেলনে দুই ধরণের প্রদর্শনী হবে:
১) প্রত্যেকের সাম্প্রতিক প্রকাশনা নিয়ে নিজেরাই নির্ধারিত টেবিলে প্রদর্শন,বিক্রি তথা বিনিময় 
               করবেন।
২) নিজেদের বা নিজের সংগ্রহে থাকা অন্যের লেখা বা সম্পাদিত বহু পুরোনো   
    পত্রিকা/বই/পাণ্ডুলিপির একটি একত্র প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করব আমরা। প্রতিনিধিরা সেসব নিয়ে এসে আমাদের কাছে
    তালিকা সহ জমা দেবেন। সম্মেলন শেষে সেগুলো যারা নিয়ে এলেন  তাদের ফিরিয়ে দেয়া হবে।  
৭)  প্রদর্শনী স্টলের জন্যে প্রত্যেক পত্রিকা গোষ্ঠী নিজেদের ব্যানার ব্যবহার করতে পারবেন। এই ব্যানার দৈর্ঘ্যে ৩৬ ইঞ্চি এবং
     প্রস্থে ৩০ ইঞ্চিতে সীমাবদ্ধ থাকবে। এর চেয়ে বড় কোনো ব্যানার গ্রহণযোগ্য হবে না। শেষের দিনে যেহেতু একটি
     শোভাযাত্রাও হবে, তাই দু’খানা ব্যানার নিয়ে এলে ভালো। শোভাযাত্রার জন্যে ব্যানারের কোনো নির্দিষ্ট মাপ নেই।
৮)  আমরা প্রত্যেক পত্রিকা গোষ্ঠীকে একটি টেবিল ও দুটো চেয়ার দেব। নির্ধারিত টেবিলে পত্রিকা প্রদর্শন এবং বিক্রি কাম্য।
 ৯)  প্রতিনিধিরা প্রথম দিনে তিনসুকিয়া পৌঁছে সম্মেলন স্থানের অভ্যর্থনা কক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেবেন এবং  
      সংগ্রহ করবেন।
১০) প্রতিনিধি শিবির ২৪শে ভোর ৫টা থেকে ২৬শে  সকাল ৮টা অব্দি খোলা থাকবে।
১১) প্রতিনিধিরা কোন ট্রেন/বাস/ বিমানে আসবেন এবং ফিরে যাবেন আয়োজন সমিতিকে আগে থেকে জানিয়ে দিলে
      প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুবিধে হবে।
১২) ২৫শে  সকাল ৭টাতে এক শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পরিক্রমা করবে। তার জন্যে প্রতিনিধিরা নিজস্ব       
      পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি নিয়ে এলে সুবিধে।আমাদের থেকে কোনো রকম বিশেষ সহযোগিতার দরকার পড়লে আগে
      থেকে জানিয়ে দিলে সুবিধে হবে।
১৩) পত্রিকা বা গ্রন্থ উন্মোচনে আগ্রহী সম্পাদক বা লেখকেরা আগে থেকেই আমাদের  জানিয়ে রাখলে সুবিধে হয়।
১৫) প্রতিজন সম্পাদক তাঁর প্রিয় পূর্বোত্তরের কোনো প্রয়াত লেখকের নামে স্টল উৎসর্গ করলে ভালো হয়। সেই অনুযায়ী
      ব্যানার লিখে আনবার আবেদন রইল।
১৪) সমতলের শহরগুলোর মধ্যে তিনসুকিয়াতে তুলনায় শীত এবং বৃষ্টি-প্রবণ শহর। ফলে প্রতিনিধিদের যথোপযুক্ত প্রস্তুতি 
      নিয়ে আসবার অনুরোধ রইল।   
১৫) ২৪শে সকাল ৯.৩০ মি: থেকে অনুষ্ঠান শুরু হবে।




                                                                 ~~~০০০~~~

















।।প্রতিনিধি আবেদন পত্র।।



প্রতি

 সম্পাদক

৬ষ্ঠ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ছোট পত্রিকা সম্মেলন, তিনসুকিয়া, ২০১৬ আয়োজন সমিতি
‘উজান সাহিত্য গোষ্ঠী’
কার্যালয়-ভানু আর্টস , রাঙ্গাগড়া রোড, তিনসুকিয়া---৭৮৬১২৫, আসাম।
তিনসুকিয়া,
আসাম ।

১) পত্রিকা গোষ্ঠীর নাম                                                         :

২) পত্রিকার সংক্ষিপ্ত পরিচয়                                                   :



৩) প্রথম প্রতিনিধির নাম:                                                      :

            ঠিকানা                                                                :
           

            দূরভাষ                                                               :
            বৈদ্যুতিন ডাক                                                     :
  
   দ্বিতীয় প্রতিনিধির নাম                                                       :
ঠিকানা                                                                :
           

দূরভাষ                                                               :
            বৈদ্যুতিন ডাক                                                     :

৪) প্রতিনিধি মাশুল                                                              :
            চেক নং                                                               :
            তারিখ                                                                 :
            ব্যাঙ্ক                                                                  :
            শাখা                                                                   :

৫) কোন রেল/বাস/ বিমানে এলেন এবং যাবেন                         : আসবার
                                                                                      যাবার
৬) খাদ্যাভ্যাস                                                                   : আমিষ/ নিরামিষ
৭) প্রতিনিধির মন্তব্য                                                            :


                                                            স্বাক্ষর
আয়োজক সমিতির পক্ষে                                                                              প্রতিনিধি.১)
                                                                                                                         ২)
                                                                                                                                                
                                                                                                                                                                    

                 ¬¬¬000¬¬¬